গোয়ালিয়রের নতুন মাধবরাও সিন্ধিয়া স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। নতুন স্টেডিয়ামে নতুন দুই খেলোয়াড়কে সুযোগ দেয় স্বাগতিকরা। অভিষেক হয় নিতিশ কুমার রেড্ডি ও মায়াঙ্ক যাদবের। অধিনায়কের সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করলেন ভারতীয় বোলাররা।
পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ করে ২ উইকেটে ৩৯। ১০ ওভারে ৬৪ রান তুলতে নেই ৫ উইকেট। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৯.৫ ওভারে ১২৭ রানে অলআউট হয়। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩ চারে ৩২ বলে অপরাজিত ৩৫ রান করেন। এটি ইনিংস সর্বোচ্চ স্কোরও।
ম্যাচের প্রথম ওভারের ষষ্ঠ বলেই আউট হন লিটন দাস। বাউন্ডারি মারার পরের বলেই আর্শদীপকে পুল করতে গিয়ে মাথার ওপরে ক্যাচ তুলে দেন বাংলাদেশ ওপেনার। পরের ওভারে হার্দিক পান্ডিয়াকে ফ্লিক করে ছক্কা মেরেছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। কিন্তু আর্শদীপের পরের ওভারে মারতে গিয়ে বলকে স্টাম্পে টেনে আনেন এ্ই বাঁহাতি। তখন দলের রান ১৪। ইমনের ৮। এক বছর পর লাল-সবুজ জার্সিতে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি ইমন। অভিষিক্ত মায়াঙ্ক যাদব মেডেন তুলে নেন হৃদয়ের কাছ থেকে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে।
তাওহীদ হৃদয় দুটি বাউন্ডারি মেরে ভালো খেলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কিন্তু বেশিদূর এগোতে পারেননি। বরুণ চক্রবর্তীর ওভারে হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হৃদয় (১৮ বলে ১২)। অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ আর জাকির আলীও টিকলেন না। মাহমুদউল্লাহ নিজের মোকাবেলা করা দ্বিতীয় বলেই ডিপ পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অভিষিক্ত মায়াঙ্কের বলে। তাতে আবারও টি-টোয়েন্টিতে তার জায়গা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। জাকের (৭) বোন্ড হন বরুণের গুগলিতে।
সতীর্থদের আসা-যাওয়ায় এক প্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন অধিনায়ক শান্ত। তিনি একটি করে ছয় ও চারে ২৫ বলে ২৭ রান করেন। শান্ত যখন ফেরেন দলের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৭৫। নিজের মুখোমুখি প্রথম বলেই ছয় মারেন রিশাদ হোসেন। মায়াঙ্ক যাদবের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে বাড়তি বাউন্স ছিল। উচ্চতা কাজে লাগিয়ে আপার-কাটে সীমানা পার করিয়েছেন রিশাদ। পরের বলে উইকেটের সোজাসুজি মেরেছেন চার। এর আগে মিরাজও চার মারায় মায়াঙ্কের তৃতীয় ওভারটি থেকে এসেছে ১৫ রান। তবে রিশাদের ইনিংসও বড় হয়নি। পরের ওভারেই ফেরেন রিশাদ (৫ বলে ১১)।
১৫তম ওভারের শেষ বলে ওয়াশিংটন সুন্দরকে চার মারেন তাসকিন। ওই বাউন্ডারিতে বাংলাদেশের রান তিন অংকের ঘরে পৌঁছে। অষ্টম উইকেটে মিরাজ ও তাসকিনের ২৩ রানের জুটি ভাঙে রানআউটে। মিরাজের মনে হয়েছিল দুই রান হবে সহজেই। কিন্ত তাসকিন এক রান নিয়েই দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন। মিরাজ দ্বিতীয় রানের জন্য ছুটে আসায় শেষ পর্যন্ত তাসকিনও বের হন ক্রিজ থেকে। তবে পৌঁছাতে পারেননি। ১৩ বলে ১২ রান করেন তাসকিন।
শরিফুল পান্ডিয়ার বলে বোল্ড হন শূন্য রানে। আর্শদীপ মোস্তাফিজকে নিজের তৃতীয় শিকার বানালে এক বল বাকি থাকতে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১২৭ রানে।
সালাউদ্দিনকে নিয়ে 'বোমা' ফাটালেন মেজবাহ
১৭ গোল হজম করল ভারতের ক্লাব
অ্যালিসনের পর ভিনিসিয়ুস, মাঠে নামার আগেই বিপদে ব্রাজিল
পাকিস্তানে খেলা হয়েছে কম, বিয়ে হয়েছে বেশি