গাজা

শিশুসহ ২৮ প্রাণ কেড়ে নিলো ইসরায়েল

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৪, ০৮:১৩ পিএম

গাজার কেন্দ্রস্থলে বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় দেওয়া একটি স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছে। যেখানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ১০ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দেইর আল-বালাহ শহরে এই হামলা চালানো হয়। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ‘সন্ত্রাসীদের ওপর সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে’, যাদের একটি স্কুলে কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার রয়েছে। ‘আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে হামাস বেসামরিক অবকাঠামোর পরিকল্পিত অপব্যবহার করছে’ বলে বিবৃতিতে দাবি করেছে তারা।

তবে হামাস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ ঘটনায় স্কুলটিতে আরও ৫৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

গাজার আটটি ঐতিহাসিক শরণার্থী শিবিরের মধ্যে বৃহত্তম জাবালিয়া এবং নিকটবর্তী শহর বেইত হানুন ও বেইত লাহিয়ায় ছয় দিন আগে শুরু হওয়া হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, হামাসকে পুনরায় সংগঠিত হতে না দিতেই এই অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩০ জন নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বাসিন্দাদের এমন একটি এলাকা খালি করতে বলেছে, যেখানে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী চার লাখেরও বেশি মানুষ আটকা পড়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বুধবার গাজা সিটির আল শিফা হাসপাতাল, আল-আওদা এবং কামাল আদওয়ান হাসপাতাল ত্যাগ করতে রোগী ও চিকিৎসাকর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছে।

কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক হুসাম আবু সাফিয়া বলেন, সেনাবাহিনী যদি তাদের সরিয়ে নিতে বাধ্য করে তবে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে আটজন রোগী ঝুঁকিতে রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু।

‘ওই শিশুদের সারা শরীর, শরীরের উপরের অংশ ও মস্তিষ্কে আঘাত লেগেছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক,’ গণমাধ্যমে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় বলেন আবু সাফিয়া। ‘হাসপাতালটির জ্বালানিও ফুরিয়ে আসছে এবং দখলদাররা উত্তর গাজায় জ্বালানি পৌঁছাতে অস্বীকার করছে,’ তিনি যোগ করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত