দীপ্ত টিভির সম্প্রচার কর্মকর্তা তানজিল জাহান তামিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার অভিযুক্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) উপপরিচালক মোহাম্মদ মামুনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তামিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকারি এই কর্মকর্তা এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মামুনকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ক্লোজড করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট দখলের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ অধিদপ্তরে জমা হয়েছিল। নিহত তামিমের বাবা প্রকৌশলী সুলতান আহমেদ চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগটি রিসিভ করেন অধিদপ্তরের ডিজির স্টাফ অফিসার শাহীন মাহমুদ। অভিযুক্ত মামুনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মাদক কর্মকর্তা মামুনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ক্লোজড করে আমরা সদর দপ্তরে নিয়ে এসেছি। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরখাস্ত করার কাজটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়।’
ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এর আগেও অভিযুক্ত মামুনের বিরুদ্ধে ডিজি বরারব অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। সে বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কীÑ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি আমার জানা নেই। ’
তামিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেনÑ মো. আব্দুল লতিফ, মো. কুরবান আলী, মাহিন, মোজাম্মেল হক কবির, বাঁধন ও মো. রাসেল। তারা সবাই ৪ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
এদিকে থানা পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় বিএনপি নেতা শেখ রবিউল আলম রবি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি। তিনিও পলাতক, তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
