আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদের সাবেক উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সুরকার প্রিন্স মাহমুদ। বুধবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন তিনি।
প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, ‘মতিয়া চৌধুরী আপা নাই। আপা গত তিন মাস ধরে বেশ অসুস্থ ছিলেন। আমার দেখা খুব কম সংখ্যক সৎ মানুষের ভেতর একজন। সবাই আপাকে শ্রদ্ধায় এবং দোয়ায় রাখবেন…’
এর আগে বুধবার দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মতিয়া চৌধুরী। তার মৃত্যুর সংবাদটি দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন তারা মামা সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার। এভারকেয়ার হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার আরিফ মাহমুদও তার মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে দুপুর ১টার দিকে মারা যান মতিয়া চৌধুরী।
মতিয়া চৌধুরীর জন্ম ১৯৪২ সালের ৩০ জুন পিরোজপুরে। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা এবং মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মতিয়া চৌধুরী।
তিনি ইডেন কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে ‘অগ্নিকন্যা’ নামে পরিচিত মতিয়া চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দেন এবং এর কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ১৯৭০ ও ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রচারণা, তদবির এবং আহতদের শুশ্রুষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন।
১৯৯৬ ও ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি জাতীয় সংসদের সংসদ উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন।
৬০০ কোটির প্রস্তাব, ৪ হাজার কোটিতে বাগিয়ে নেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী শামসুল
বিয়ের জন্য ধার্মিক পাত্র খুঁজছেন প্রিয়াঙ্কা