আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তওবা করা উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শেখ হাসিনার এই ৫০ বছরের রাজনীতি ছিল বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণের রাজনীতি। শেখ হাসিনা মনে করতেন; এদেশের মানুষ তার বাবাকে খুন করেছে। এ জন্যই তিনি জনগণের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণ করার জন্য রাজনীতিতে এসেছিলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য এখনও অনলাইনে নেট দুনিয়ায় আছে। দেখবেন শেখ হাসিনা বলেছিলেন ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবকে তার দলের কিছু লোক হত্যা করেছিল। কিন্তু কয়েকদিন মৃতদেহ পড়ে থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কেউ সেই লাশ উদ্ধারে যায়নি।
মামুনুল হক বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। তিনি চেয়েছেন এমন কাজ করব যাতে এদেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগের নাম মুখে না আনে। এজন্য তিনি যখন পালিয়ে যান এদেশের হাজার হাজার লাখ লাখ নেতাকর্মীদের কথা দুইবার ভাবেননি। তিনি নিজের ছেলে মেয়েকে বিদেশে আগেই সেটেলড করেছেন। ছিল একটা বোন, ওই বোনটাকেও বগলদাবা করে পালানোর সময় ১৬টি লাগেজে করে দেশের টাকা-পয়সা নিয়ে হেলিকপ্টারে করে উড়াল দিয়ে ভারতে গেছেন। এখন লজ্জা হওয়া দরকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের। তোমাদের তওবা করা উচিৎ। তওবা করো আর কোনোদিন আওয়ামী লীগ করবা না। তওবা করো এই শেখ পরিবারের পিছনে আর কোনোদিন নাচবা না।
শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের সাদিপুর ইউনিয়নের নয়াপুর এলাকায় ইসলামী মহাসম্মেলন মাঠে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা মামুনুল হক। গণসমাবেশ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সোনারগাঁ উপজেলার সভাপতি হাফেজ আব্দুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা কুরবান আলী কাসেমী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মাওলানা হুসাইন আহমদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মাওলানা আবু সাইন, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া প্রমুখ।
আন্দোলনের মুখে ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যানের পদত্যাগের ঘোষণা