চিকিৎসার নামে অজ্ঞান করে রোগীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদে ঘটেছে এই ঘটনা। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম আনন্দবাজার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার অভিযুক্ত চিকিৎসককে আদালতে হাজির করানো হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের জন্য হেফাজতে চাওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসনাবাদের বরুণহাটে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন ওই নারী রোগী। অভিযোগ, ইঞ্জেকশন দিয়ে তাঁকে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত চিকিৎসক। শুধু তা-ই নয়, ওই নারী রোগীর আপত্তিকর ছবি তুলে সেগুলি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ও দেখাতেন অভিযুক্ত চিকিৎসক। সেই ছবি দেখিয়েই একাধিক বার তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই রোগী। এমনকি অভিযুক্ত চিকিৎসক তাঁর কাছ থেকে চার লক্ষ টাকা নিয়েছেন বলেও দাবি তার।
ভুক্তভোগী নারীর স্বামী কর্মসূত্রে অন্য এলাকায় থাকেন। দিনের পর দিন চিকিৎসকের অত্যাচার সহ্য করার পরে স্বামীকে পুরো ঘটনা জানান তিনি। স্বামী বাড়ি ফিরলে হাসনাবাদ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগ দায়েরের প্রেক্ষিতে সোমবার রাতেই অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি অভিযোগকারির গোপন জবানবন্দি নেবে পুলিশ।
যুক্তরাষ্ট্রে আগাম ভোটের রেকর্ড, কমলাকে আগাম ভোট দিলেন বাইডেন