দেবাশিষ সরকারের ঘূর্ণিতে কাবু হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ডানহাতি এই লেগ স্পিনার ৪ রান খরচায় নিয়েছেন ৪ উইকেট। তাতে অনূর্ধ্ব-১৯ দল পেয়েছে ৯ উইকেটের বড় জয়। আগে ব্যাট করে মরুর দেশটি গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৭ রানে। ১৩৮ রানের ছোটো লক্ষ্য সহজেই তাড়া করে ফেলেন জাওয়াদ আবরার ও কালাম সিদ্দিকী এলিনরা মিলে।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাটিং করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই ২ উইকেট হারায় তারা। সফরকারীদের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন উদিত সুরি। এছাড়া ইয়ায়ীন কিরান রাই ২৩, ইথান কার্ল ডি সুজা ১৮ এবং কারান ধীমান ১৬ রান করেছেন।
বাংলাদেশের হয়ে ৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন দেবাশিষ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন আল ফাহাদ, সাদ ইসলাম রাজিন, সামিউন বাশির রাতুল, ফারহান শাহরিয়াল ও রিজান হোসেন।
রান তাড়ায় পাওয়ার প্লেতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোলারদের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিং করেছেন তারা দুজন। যদিও শুরুটা ভালো হয় বাংলাদেশের। প্রথম দুই ওভারে মাত্র ৩ রান এলেও পরের ওভারে চার-ছক্কা মেরে রান তোলার গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন জাওয়াদ। সেখান থেকে স্বাগতিকদের আর পিছু হটতে দেননি দুই ওপেনার।
জাওয়াদ ও কালামের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬৫ রান তুলে স্বাগতিকরা। তারপরই হারায় প্রথম উইকেট। উদিত সুরির বলে উইকেটের পেছনে থাকা মুদিত আগারওয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন জাওয়াদ। সাজঘরে ফেরার আগে সমান তিন ছক্কা ও চারে ৪৬ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলেছেন এই ওপেনার।
জাওয়াদ ফেরার পর অধিনায়ক কালামের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে জুটি গড়েন শাহরিয়াল আজমীর তূর্য। শেষ পর্যন্ত তারাই জয়ের ফসল ঘরে তুলে। হাফ সেঞ্চুরি না পেলেও ৪২ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন কালাম। দারুণ ব্যাটিংয়ে শাহরিয়ালও করেছেন ৩৭ বলে ৩৯ রান। সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ২৯.২ ওভার বাকি থাকতেই হ্যাটট্রিক জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
প্রথম বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও পরের দুটি ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচ জিতে যাওয়ায় হোয়াইটওয়াশ হলো আমিরাতিরা।
ম্যানইউর নতুন কোচ রুবেন আমোরিম
রিশাভ পান্তকে নিয়ে ত্রিমুখী লড়াইয়ে কলকাতা-চেন্নাই-বেঙ্গালুরু