অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে হয়ে রইলে ব্যাট হাতে বোলারদের লড়াই। নাসিম শাহ ৩৯ বলে ৪০ রান না করলে পাকিস্তানের ২০৩ রান হয় না। আবার প্যাট কামিন্স ৩১ বলে হার না মানা ৩২ রান না করলে অস্ট্রেলিয়া সেই রান টপকে জয় পায় না।
গত বছরের ১৯ নভেম্বর আহমেদাবাদে বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম ওয়ানডে খেলতে নেমেছিলেন অধিনায়ক কামিন্স। আর পাকিস্তান দলটিই ওয়ানডে খেলতে নেমেছে ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বরের পর এই প্রথম।
শেষ পর্যন্ত জয় হয়েছে কামিন্সেরই। ২০৪ রান তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া একপর্যায়ে হারের শঙ্কায় পড়লেও সেখান থেকে উদ্ধার করেছেন ব্যাটসম্যান কামিন্স। শন অ্যাবটের ১৩ রানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাড়ায় অস্ট্রেলিয়ার ২ উইকেটের জয় পাওয়ায়। তাতে তিন ম্যাচের সিরিজে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে।
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান ১১৭ রানেই হারিয়ে ফেলেছিল প্রথম ছয় ব্যাটসম্যানকে। এর মধ্যে দুই ওপেনার সাইম আইয়ুব ও আবদুল্লাহ শফিক ফেরেন ২৪ রানের মধ্যে। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারে এই দুজনকেই তুলে নেন মিচেল স্টার্ক।
স্টার্ক-ঝড় সামলে নিয়ে পাকিস্তানকে কিছুটা ভরসা জোগান বাবর আজম। দারুণ কয়েকটি শট খেলা এই ব্যাটসম্যান ৪৪ বল ৩৭ রান করে বোল্ড হন লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পার বলে। এরপর পাকিস্তানের ইনিংসের হাল ধরেন অধিনায়ক রিজওয়ান। চারে নামা এই ডানহাতি ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে করে যান ৭১ বলে ৪৪।
১২০ রান তোলার ৬ উইকেট হারানো পাকিস্তান যে এরপরও ২০০ পেরোতে পেরেছে, তাতে মূল অবদান শাহিন শাহ আফ্রিদির ১৯ বলে ২৪ এবং নাসিম শাহর ৩৯ বলে ৪০। জাম্পার এক ওভারে দুটিসহ মোট ৪টি ছক্কা হাকান নাসিম। তাকে আউট করেছিলেন প্যাট কামিন্স।
ফিফটিহীন এই ম্যাচে ৩৩ রানে ৩ উইকেট শিকারী মিচেল স্টার্ক হয়েছেন ম্যাচ সেরা।
সিরিজের পরের ম্যাচ হবে ৮ নভেম্বর অ্যাডিলেডে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান: ৪৬.৪ ওভারে ২০৩ (রিজওয়ান ৪৪, নাসিম ৪০, বাবর ৩৭, আফ্রিদি ২৪; স্টার্ক ৩/৩৩, কামিন্স ২/৩৯, জাম্পা ২/৬৪)।
অস্ট্রেলিয়া: ৩৩.৩ ওভারে ২০৪/৮ (ইংলিস ৪৯, স্মিথ ৪৪, কামিন্স ৩২*; রউফ ৩/৬৭, আফ্রিদি ২/৪৩)
ফল: অস্ট্রেলিয়া ২ উইকেটে জয়ী।
জাতীয় দল নয়, আপাতত বিপিএলে চোখ তামিমের
স্পিনের উইকেটে পাকিস্তান এখন ভারতকে হারিয়ে দিতে পারে: ওয়াসিম আকরাম