হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন জানায় পুলিশ। এ সময় নিজে আইনজীবী উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, আমরা একে অপরের ভাই ভাই, মিলেমিশে থাকা উচিত। আমরা একসাথে থাকব। কেন দ্বন্দ্বে জড়াব? আশা করছি, এ পরিবেশ থাকবে না।
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন রেজার আদালতে রিমান্ড শুনানিতে একথা বলেন আমির হোসেন আমু।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী। রিমান্ড বাতিলসহ জামিন চান আমির হোসেন আমুর আইনজীবী স্বপন রায় চৌধুরী। পিপির বক্তব্যকে রাজনৈতিক উল্লেখ করেন তিনি। এতে পিপির সঙ্গে থাকা আইনজীবীরা উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর শুরু করেন। মারধরের ঘটনায় তিনি আদালতের দরজার সামনে পড়ে যান। একপর্যায়ে তাকে বের করে দেওয়া হয় এজলাশ থেকে।
এরপর আদালত আমির হোসেন আমুর বক্তব্য জানতে চান। তখন আমু বলেন, আমি ঢাকা বারের সদস্য, হাইকোর্ট বারের সদস্য। এখানকার পরিবেশ দেখে দুঃখিত। এই পরিবেশে কিছু বলা উচিত না। মামলা চলবে, ভবিষ্যতে আমি আমার বক্তব্য উপস্থাপন করব। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অনেক কথা বলেছেন। আমি একজন রাজনিতিবিদ। রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে গেলে দুই ঘণ্টা লেগে যাবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় পুলিশের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ মারা যান। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রব নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।
গতকাল বুধবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আমুকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
৪৮ ঘণ্টা পর ২০ বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত আনলো বিজিবি
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে ৬ সদস্যের তালিকা দিল গণ-অধিকার পরিষদ