দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ মানেই মাঠে সাপ, পোকা, শুকর!

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৫৮ পিএম

দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের শুরুতেই সেঞ্চুরিয়ানের মাঠে শুরু হয় পোকার উৎপাত। আরশদীপ সিংহের প্রথম ওভার হতেই মাঠের দখল নিয়ে নেয় হাজার হাজার পোকা। বাধ্য হয়ে খেলা বন্ধ রাখতে হন আম্পায়ারেরা। ১৮ মিনিট পর পরিস্থিতি পরিদর্শনের পর আবার শুরু হয় খেলা।

সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে ওঠেন মাঠকর্মীরা। তারা পোকা নিধনে সক্রিয় হন। দক্ষিণ আফ্রিকায় বছরের এই সময় এমন ঘটনা অস্বাভাবিক নয়। তাই আগে থেকে প্রস্তুতি ছিল। বিশেষ যন্ত্র নিয়ে আসা হয়ে মাঠের পরে যাওয়া পোকাগুলিকে পরিষ্কার করার জন্য। কিছুক্ষণের মধ্যেই অবশ্য পোকার দাপট কমে যায়। আবার শুরু হয় খেলা।

মাঠে ‘ফ্লাইং অ্যান্ট’ জাতীয় পোকার উৎপাত হওয়ায় ম্যাচ চালানো সম্ভব হয়নি। ক্রিকেটারকে নাকে-মুখে ঢুকে যাচ্ছিল সেই পোকা। তবে এটাই প্রথম নয়। অতীতে বার বার বিচিত্র কারণে ক্রিকেট ম্যাচ সাময়িক বা পুরোপুরি বন্ধ রাখার নজির রয়েছে।

মৌমাছি

২০১৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বিশ্বকাপের ম্যাচ চলাকালীন মাঠে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি ঢুকে পড়েছিল। ম্যাচের ৪৮তম ওভারে তখন ১৯৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। মৌমাছি মাঠে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ক্রিকেটারেরা মাটিতে শুয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ বাদে সেই মৌমাছির ঝাঁক অবশ্য চলে যায়।

সাপ

এই ঘটনা ঘটেছে ভারতে। ২০২২ সালে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ হচ্ছিল গৌহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে। হঠাৎই মাঠের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল একটি সাপ। মাঠের ধারে থাকা একটি ছোট গর্ত থেকে সেটি বেরিয়ে আসে। প্রোটিয়া ক্রিকেটার ওয়েন পার্নেল সবার আগে সেটি দেখতে পেয়ে বাকিদের সতর্ক করে দেন। এর আগে, ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচেও মাঠে সাপ ঢুকে পড়েছিল।

ফ্লাইং অ্যান্ট

সেঞ্চুরিয়নে এই পোকার উৎপাত নতুন নয়। ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অস্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ডের ম্যাচ চলাকালীন এই পোকা ঢুকে পড়েছিল। ১২ মিনিট বন্ধ ছিল খেলা।

শুকর

এই ঘটনা অনেক আগের। ১৯৮২ সালে সিডনিতে অ্যাশেজ় টেস্ট চলাকালীন মাঠে ঢুকে পড়ে একটি শুয়োর। তার পিঠের এক দিকে ‘বথাম’ এবং অপর দিকে ‘এডি’ লেখা ছিল। তাতেই বোঝা যায় সেটি ইচ্ছাকৃতভাবে ঢুকানো হয়েছিল। কারণ কটাক্ষ করা হয়েছিল দুই ইংরেজ ক্রিকেটার ইয়ান বথাম এবং এডি হেমিংসকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত