ঈশ্বরদীতে পৃথক স্থান থেকে দুই লাশ উদ্ধার

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২৪, ০৮:৫৫ পিএম

পাবনার ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসার ডাইনিং রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছায় ঝুলানো অবস্থায় মো. আকমল হোসেন (৫২) নামের এক দোভাষীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৭ নভেম্বর) সকালে শহরের দড়িনারিচা থানাপাড়ায় মান্নান সাহেবের বাড়ির দ্বিতীয় তালা থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আকমল ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পালিগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে। আকমল হোসেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ইএসকেএম কোম্পানিতে দোভাষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আকমলের তৃতীয় স্ত্রী শবনম মুশতারী স্বর্ণা বলেন, আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে আমি কর্মস্থলে যাই। পরে আমার স্বামীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার ফোনে কথা হয়। সে প্রচুর মদপান করেছিল। শেষে সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে আমাকে ফোন করে জানায়, আমার এই জীবন ভালো লাগছে না, আমাকে সবাই ছেড়ে শুধু চলে যায়। আমি আর বাঁচতে চাই না। এই কথা শুনে আমি কোম্পানির ড্রাইভারকে নিয়ে দ্রুত বাসায় এসে দেখি ঘরের দরজা ভেড়ানো, জানালাগুলো খোলা। আমার স্বামীর গলায় গামছা পেচানো অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে।

অপরদিকে পারিবারিক কলহের জের ধরে সুফিয়া বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ মহিলা আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের কৈকুন্ডা গ্রামের ছাইদার প্রামাণিকের স্ত্রী। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। তবে বিষয়টি অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখছে। ঈশ্বরদী থানা পুলিশ রবিবার সকালে তার লাশ থানায় নিয়ে আসে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি শহীদুল ইসলাম শহীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মৃত দুইজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে আপাতত পৃথকভাবে ২টি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত