কক্সবাজারের টেকনাফের মানবপাচারকারীদের পাহাড়ি আস্তানা থেকে ৫ জন বাংলাদেশি ও ২৬ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ এবং শিশুকে উদ্ধার করেছে র্যাব। ৫ জন বাংলাদেশির মধ্য ৩ জন পুরুষ, এক জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া ২৬ জন রোহিঙ্গার মধ্যে ২২ জন শিশু, ২ জন পুরুষ ও ২ জন নারী রয়েছে। ওই সময়ে পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে চক্রের ২ জন সদস্যকেও আটক করে অভিযান পরিচালনাকারী দল।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়ার পাহাড়ের চূড়ার পাচারকারীদের গোপন আস্তানা হতে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ৫ জন বাংলাদেশি হলেন- কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলহাজারা ইউনিয়নের মকশেট আজম গ্রামের আতিকুর রহমান (৩২), মহেশখালি উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের কায়কাবাদ গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (২৭), নজির আহমদের ছেলে মো.শহিদ (১৭), সাদেকের কাটা গ্রামের ফরিদের ছেলে মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (২২) ও টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শাপলাপুর গ্রামের সাব্বিরের মেয়ে হাসনা বেগম (১৮)।
২৬ জন রোহিঙ্গারা হলেন- মোহাম্মদ নূর (১২), নূর কামাল (৩৫), শরীয়ত উল্লাহ (১৭), মোহাম্মদ আরাফাত (১৪), নাইমুল হাসান (২০), আয়াতুল্লাহ (১২), সালমান (১৭), মোহাম্মদ নূর (১৭), সেনোয়ারা (২৫), খুইললে বানু (১৮), সুফাইরা (১৭), তশমিনা আরা (১৭), জোহরা আক্তার (১৭), হামিদা (১৭), বিবি আছিয়া (২৪), চকুতারা (১৮), তসলিমা (১৭), জান্নাত আর (১৫), দিল কায়াস (১৬), আরজিনা (১৮), রুমিয়াছ (৭), দিলারা (১৪), হামিদা (১৫), নুরুল আমিন ( ৮), নুর হাফেজ (৬) ও নুর সাহারা (৩)। এরা সকলেই উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন ব্লকে শরনার্থী হিসেবে বসবাস করে।
আটককৃত পাচারকারীরা হলেন- টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের পানখালী গ্রামের মৃত অছিউর রহমানের ছেলে মো. আনোয়ার (৪৪) এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের উত্তর লম্বরী পাড়া গ্রামের মৃত মো.রফিকের ছেলে মোহাম্মদ আইয়ুব (৩৬)।
সোমবার রাত সাড়ে ৯ টায় র্যাব-১৫ এর কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত পাল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচনে আ. লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে : প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং