রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের ধরে রাজধানীর হাজারীবাগে ছুরিকাঘাতে আহত সাবেক যুবদল নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ বুধবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জিয়াউর রহমান জিয়া হাজারীবাগের ২২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি হাজারীবাগ ভাগলপুর লেনের মৃত হাজী আফতাব উদ্দিনের ছেলে। ২ ভাই ১ বোনের মাঝে তিনি ছিলেন মেঝ।
স্থানীয় যুবদল সদস্য মো. ডালিমসহ স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় হাজারীবাগ এনায়েতগঞ্জ মসজিদ থেকে মাগরিবের নামাজ পড়ে যখন জিয়া বের হন। তখন ৩০-৪০ জনের একটি দল এসে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাত ফেলে রেখে যায়। এরপর তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পরবর্তীকালে তাকে হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখান থেকে অস্ত্রোপচারের পর ফের ঢামেকে এনে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তিনি মারা যান।
তারা আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে হাজারীবাগ পাম্পের পাশে স্থানীয় যুবকদের নিয়ে একটি সালিশি বিচার হয়। সেখানে এলাকার কয়েকজন যুবকের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে বিএনপি নেতা শিবলু, সুমন। পরদিন শুক্রবার ওই যুবকরা তাদের বিরুদ্ধেই চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন। এটি নিয়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়। জিয়া ওই যুবকদের ফুসলিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে ওইদিন সন্ধ্যায় সুমনের হুকুমে জিয়াকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করেছে সন্ত্রাসীরা।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, ‘মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। হাজারীবাগ থানা পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।’
আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ, ন্যায়বিচার করেন: আদালতে সাবেক এমপি জ্যাকব
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন রোধ করার সাধ্য নেই
একাত্তরের কোনো ভুল প্রমাণিত হলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে জামায়াত