অবসরপ্রাপ্ত সচিব এএমএম নাসির উদ্দীনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে কমিশনার হিসেবে আছেন চারজন। তারা হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব তহমিদা আহমদ ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। নতুন এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার কমিশনারকে নিয়োগ দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের স্বাক্ষরে এ-সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন আইনে দ্বিতীয়বারের মতো নতুন এ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলো।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিচারপতিরা ছিলেন সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে। এরপর নির্বাচন কমিশনে শুরু হয় সাবেক আমলাদের নেতৃত্ব। মাঝখানে ২০০৫ সালে এক বছর সাত মাস একজন বিচারপতি ছাড়া গত প্রায় তিন দশক সাবেক আমলারাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সর্বশেষ পদত্যাগ করা সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের আগে যারা এই পদে ছিলেন তারা হলেন কেএম নুরুল হুদা (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২), কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭), এটিএম শামসুল হুদা (৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২), বিচারপতি এমএ আজিজ (২৩ মে ২০০৫ থেকে ২১ জানুয়ারি ২০০৭), এমএ সাঈদ (২৩ মে ২০০০ থেকে ২২ মে ২০০৫), মোহাম্মদ আবু হেনা (৯ এপ্রিল ১৯৯৬ থেকে ৮ মে ২০০০), বিচারপতি একেএম সাদেক (২৭ এপ্রিল ১৯৯৫ থেকে ৬ এপ্রিল ১৯৯৬), বিচারপতি আব্দুর রউফ (২৫ ডিসেম্বর ১৯৯০ থেকে ১৮ এপ্রিল ১৯৯৫), বিচারপতি সুলতান হোসেন খান (১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০ থেকে ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯০), বিচারপতি চৌধুরী এটিএম মাসউদ (১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০), বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম (৮ জুলাই ১৯৭৭ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫), বিচারপতি মো. ইদ্রিস (৭ জুলাই ১৯৭২ থেকে ৭ জুলাই ১৯৭৭)।
দাম কমেছে পেঁয়াজ-মুরগির, এখনও চড়া আলু-তেল
রবিবার শপথ নেবেন নবনিযুক্ত নির্বাচন কমিশনাররা