পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা ও ভ্রাম্যমাণ দোকাটপাট উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে সাভার উপজেলা প্রশাসন। তবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালানার আধা ঘণ্টার মধ্যে ফের মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে আগের মতোই দোকানপাট চালিয়ে যাচ্ছেন অবৈধ দখলকারীরা। এতে করে আবারও চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হওয়ায় হতাশ পথচারীরা।
রবিবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে সাভার উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মহাসড়কের পূর্বপাশে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এদিকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় দখলদারদের বাধার মুখে পড়ে উচ্ছেদের কাছে নিয়োজিত পৌরসভার শ্রমিকরা। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় ৩ হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
সরেজমিনে উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে দেখা যায়, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সাভার পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক আবু বকর সরকারের নেতৃত্বে রবিবার বিকেলে সাভার উপজেলার মূল ফটকের সামনে থেকে মহসড়ক ও ফুটপাত দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা এবং ভাসমান দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়। মহাসড়কের পূর্বপাশ দিয়ে থানা বাসস্ট্যান্ড হয়ে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডের ইবনেসিনা হাসপাতাল পর্যন্ত মহাসড়কের ওপর নির্মিত দোকানপাট ও অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় মহাসড়কের ওপর রাখা বেশকিছু গাছের গুঁড়ি ও অবৈধ দোকানপাট জব্দ করা হয়।
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সরকার বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ লাগবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদের পাশাপাশি সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে যাতে করে পরবর্তীতে আর না বসে। অভিযানের পর ফের দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
অভিযানের সময় ৩ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিয়া বলেন, উচ্ছেদে অভিযানে নিয়োজিত শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
বাবুল আক্তারকে ফাঁসাতে আমাকে বাধ্য করা হয়েছিল: ভোলা
আরও কমল সোনার দাম