আজ থেকে অ্যাডিলেডে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি দিনরাতে অনুষ্ঠিত হবে, যাতে ব্যবহৃত হবে গোলাপি বল। চলুন দেখে নেয়া যাক প্রথাগত লাল বল ও গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলার পার্থক্য কোথায় ও কি কি
লাল বল বনাম গোলাপি বল
লাল বল সাধারণত দিনের আলোতে দৃশ্যমান থাকে, তবে ফ্লাডলাইটে তা স্পষ্ট দেখা কঠিন হয়। এই সমস্যার সমাধানে গোলাপি বলের প্রবর্তন।
উপাদান এবং রঙের পার্থক্য
লাল বল রঙ করা হয় ডাই দিয়ে, যেখানে গোলাপি বল প্রলিপ্ত থাকে পলিউরেথিন লেকারের একটি স্তর দিয়ে।
লাল বলের সিম সাদা, কিন্তু গোলাপি বলের সিম কালো। এটি ২০১৬ সালে পরিবর্তিত হয়েছিল, যেন বলটি আরো স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
লেকার প্রলেপ
গোলাপি বল অতিরিক্ত লেকার প্রলেপে আবৃত, যা বলের চকচকে ভাব দীর্ঘস্থায়ী করে। এটি বলের সুইং এবং গতিকে বৃদ্ধি করে, বিশেষত রাতে।
এই অতিরিক্ত লেকারের কারণে পিচ থেকে বল দ্রুত উঠে আসে, যা ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে।
দৃশ্যমানতা এবং স্থায়িত্ব
গোলাপি বলের দৃশ্যমানতা ফ্লাডলাইটে ভালো। লেকার প্রলেপ এটিকে লম্বা সময় ধরে সুইং করতে সহায়তা করে, যা বোলারদের জন্য উপকারী।
দিন-রাত টেস্টে পরিবর্তনগুলো
খেলার ধরণে পরিবর্তন
রাতের আলোতে সুইং বেশি হওয়ায় বোলাররা সুবিধা পায়। বলের মুভমেন্ট বেশি হওয়ায় ব্যাটসম্যানদের টিকে থাকার জন্য অতিরিক্ত মনোযোগ প্রয়োজন।
টাইমিং এবং বিরতি
প্রচলিত টেস্টের মতো দুপুরের খাবারের বিরতির বদলে এখানে রাতের খাবারের বিরতি (৪০ মিনিট) রাখা হয়।
ম্যাচের শুরু হয় বিকেলে এবং শেষ হয় রাতে, যা দর্শকদের আকর্ষণ বাড়ায়।
