খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, তাবেদার ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনে ভারতের নরেন্দ্র মোদি কষ্টে আছেন। ভারত সরকার আমাদের শান্তিতে থাকতে দিতে চায় না। স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে দিতে চায় না। কিন্তু আমরা স্বাধীন জাতি, যেভাবে জীবন দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, সেভাবে স্বাধীনতা রক্ষা করব।
আজ শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী র্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শাখা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন শায়খুল হাদিস মাওলানা আব্দুস সামাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাজী নূর হোসেন, হাফেজ মাওলানা নুরুল হক, শ্রমিক মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রভাষক মুহাম্মদ আবদুল করিম, ঢাকা মহানগরী সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুনশি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, সরদার নেয়ামত উল্লাহ, ইসলামী ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি মুহাম্মদ সাইফ উদ্দীন, শ্রমিক মজলিস ঢাকা মহানগরী উত্তর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মতিউর রহমান, মাওলানা ফরিদ আহমদ হেলালী, মাওলানা শরীফ উদ্দিন, ড. মাওলানা মারুফ বিল্লাহ, অ্যাডভোকেট এনায়েত রাব্বি একরাম।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার প্রশ্নে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিক ঐক্যবদ্ধ। দেশবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতাবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিবে। বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য দুর্নীতিমুক্ত সৎ নেতৃত্ব কায়েম করতে হবে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিগত ১৬ বছরে বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, এখন পালিয়ে গিয়ে ভারতের হিন্দুত্ববাদী নেতা নরেন্দ্র মোদির মদদে এদেশে ধর্মীয় দাঙ্গা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। কিন্তু কোনও ষড়যন্ত্রে কাজ হবে না। ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য অধ্যাপক এ কে এম গোলাম আজম, মাওলানা বিএম সিরাজ, মাওলানা এমদাদুল্লাহ খাঁন, মহানগরী দক্ষিণ সহসভপতি মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হুমাযুন কবির আজাদ, বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ সেলিম হোসাইন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনসুরুল আলম মনসুর, অফিস সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ, যুব মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি জামিরুল ইসলাম প্রমুখ।
যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিল বলেন, ভারত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করলে ভারতই ভেঙে খান খান হয়ে যাবে। বিজেপি নেতা সুভেন্দু অধিকারী অখণ্ড ভারতের দিবাস্বপ্ন দেখছেন। অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই বরং ভারতের বৈষম্য ও জুলুম নির্যাতনের কারণে পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্য হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে।
ভারতের অপতথ্য প্রচারে আমাদের কোনও ক্ষতি নেই
আইসিসির বিরুদ্ধে শীতল লড়াইয়ে বেন স্টোকস