ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তিতে পোষ্য ও খেলোয়াড় কোটার বিধান কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।
ঢাবির ভিসি, প্রো ভিসি (প্রশাসন), প্রো ভিসি (শিক্ষা) ও রেজিস্ট্রারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার, অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হোসাইন ও অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার।
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট, একজন অভিভাবক, একজন সাধারণ নাগরিক ও সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবীর পক্ষে গত ১০ নভেম্বর এ রিট আবদেনটি করা হয়।
আইনজীবী সোলায়মান তুষার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঢাবির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছেলেমেয়েদের জন্য ভর্তি প্রক্রিয়ায় ওয়ার্ড/ পোষ্য কোটা সংরক্ষণ করা বৈষম্যমূলক, স্বেচ্ছাচারী ও অযৌক্তিক। সংবিধানের ২৮ (৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নারী বা শিশুদের অনুকূলে বা নাগরিকদের যে কোনো অনগ্রসর অংশের উন্নতির জন্য বিশেষ বিধান করা যেতে পারে। কিন্তু ঢাবির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছেলে-মেয়েরা পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর মধ্যে পড়ে না। কিন্তু তাদের ছেলে-মেয়েরা ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ শতাংশ বা পাস নম্বর পেলেই ঢাবিতে ভর্তি হতে পারেন। আর খেলোয়াড় কোটার বিধানটিও বৈষম্যমূলক। এ বিধানের ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে। আদালত আমাদের বক্তব্য শুনে রুল দিয়েছেন।’
ঢাকার বায়ুমান ঝুঁকিপূর্ণ, জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ
নিখোঁজ ছেলের কবরের সন্ধান চান মা