১৬ বছর পর বিশ্বসেরা খেলোয়াড়ের ট্রফি ফিরেছে ব্রাজিলে: রোনালদো

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ০২:১৫ পিএম

ফিফা দ্য বেস্ট অ্যাওয়ার্ড জেতা সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে "প্রতিরোধ ও স্থিতিশীলতার প্রতীক" হিসেবে প্রশংসা করেছেন ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও।

২০২৩-২৪ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ৩৯টি ম্যাচে ২৪ গোল করা ভিনিসিয়ুস, জুন মাসে ক্লাবটির রেকর্ড ১৫তম উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের ফাইনালে দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন। সেই সঙ্গে লা লিগা শিরোপা, সুপারকোপা দে এস্পানা ও উয়েফা সুপার কাপের মতো শিরোপাও নিজের ঝুলিতে পুরেছেন। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ২০২৪ কোপা আমেরিকায় ব্রাজিলকে কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে যাওয়ার অবদানও রেখেছেন। তারই স্বীকৃতি তিনি পেলেন মঙ্গলবার দোহায় ফিফার সের খেলোয়াড়ের অ্যাওয়ার্ড জিতে।

১৯৯৬, ১৯৯৭ও ২০০২ এর ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়রো নালদো ইনস্টাগ্রামে লিখেছে, “১৬ বছর পর বিশ্বসেরা খেলোয়াড়ের ট্রফি ফিরেছে ব্রাজিলে। ভিনির হাতে এ ট্রফি শুধু তার মাঠের অসাধারণ পারফরম্যান্স আর দুর্দান্ত পরিসংখ্যানের স্বীকৃতি নয়, বরং এর মূল্য অনেক বেশি। তার প্রতিভা যথেষ্ট ছিল পুরস্কারটি জেতার জন্য, কিন্তু তার শক্তি মাঠের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে।"

রোনালদো আরও উল্লেখ করেন ভিনিসিয়ুসের বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই সম্পর্কে। তিনি বলেন, "আমরা এমন একজন খেলোয়াড়ের কথা বলছি, যিনি আজকের অন্যতম মূল্যবান তারকা, যিনি বারবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বর্ণবাদের শিকার হচ্ছেন। তার এই সংগ্রাম শুধু তার নয়, অগণিত নামহীন ভিনিসিয়ুসদের প্রতিনিধিত্ব করে। যারা চুপ থাকে, তারাও কম বর্ণবাদী নয়। দমন আর অবহেলার এই সংস্কৃতি শেষ করতে হবে।"

ভিনিসিয়াসের এই জয় মাত্র দুই মাস আগে ব্যালন ডি’অর গালায় রিয়াল মাদ্রিদ ও তার বয়কটের বিতর্কের পর এসেছে। ব্যালন ডি’অরে ম্যানচেস্টার সিটির রদ্রির জয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন রিয়াল তারকারা। এ প্রসঙ্গেই রোনালদো লেখেন, “তারা তোমাকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল, কিন্তু তুমি জিতেছ। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় এখন একজন কালো ও ব্রাজিলিয়ান!"

১৯৯১ সালে এই পুরষ্কার চালু হওয়ার পর নানা ফরম্যাটে রোমারিও, রোনালদো নাজারিও (তিনবার), রিভালদো, রোনালদিনিও (দুবার) ও কাকার পর ষষ্ঠ ব্রাজিলিয়ান হিসেবে পুরস্কারটি পেলেন ভিনি। তবে ২০০৭ সালে কাকার পর এই পুরস্কার পাওয়া প্রথম ব্রাজিলিয়ান তিনিই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত