বিসিবির কর্মকর্তাদের বেতন বাড়িয়ে দিলেন ফারুক

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:২৭ পিএম

বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত মোট চারবার বেতন বৃদ্ধি করেছে। তবে সেই বৃদ্ধির হাওয়া কখনই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে লাগেনি। অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার ৭০ দিনের মাথায় বৃদ্ধি করলেন ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন। তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে বোর্ড সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

বিসিবির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র এই তথ্যটি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানিয়েছে, প্রক্রিয়াটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়নও হয়ে গেছে। গত ৩০ অক্টোবর বিসিবির ১৫তম বোর্ড সভায় বিষয়টি উত্থাপন করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন।

এছাড়া বিসিবির পে-স্কেল সংশোধন করে তা নতুনভাবে তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে বিসিবিতে। বিসিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল সংশোধন করা হয় ১১ বছর আগে; সেই ২০১৩ সালে। সেবার মোট বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। আর পে-স্কেল গঠন করা হয়েছিল ২০০৮ সালে। সবশেষ সংশোধন হওয়ার পর তার ভিত্তিতে চলছিল প্রতিষ্ঠানটি।

সূত্র জানিয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরির মেয়াদ বিবেচনায় নিয়ে ক্যাটগরি ভাগ করেছে বিসিবি। তিন ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ থেকে সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ বেতন বাড়ানো হয়েছে। ক্যাটাগরি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যারা ২৫ বছর বা তার বেশি সময় ক্রিকেট বোর্ডে চাকরি করছেন, তাদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বেতন বেড়েছে। ১০ বছর কিংবা তার বেশি চাকরি করাদের বেড়েছে ২৫ শতাংশ। আর যারা দুই ক্যাটাগরির কোনোটার মধ্যেই পড়েন না, তাদের বেড়েছে ৫ শতাংশ।

বিসিবির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে গাড়িচালক, অধস্থন কর্মচারি সবারই বেতন বেড়েছে। সবমিলিয়ে ৯৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির বেতন বেড়েছে। টাকার অংকে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা বেতন বেড়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘যে কোনো প্রতিষ্ঠানের মতো বিসিবিতেও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বেতন পর্যালোচনা করা হয়। নতুন সভাপতি দায়িত্ব নেওয়ার পর এটা তিনি পুনরায় দেখছেন। বিভিন্নি ক্যাটাগরিতে এটি তিনি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করেছেন।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিবির এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বর্তমান বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পে-স্কেল গঠন করে পরবর্তী বোর্ড মিটিংয়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেখানে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। বছরের পর বছর বেশিরভাগ কর্মকর্তারা বৈষম্য ও বঞ্চিত হচ্ছিলেন। অবশেষে সেটা দূর হয়েছে। যে কারণে আমরা খুশি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত