চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাটের পশ্চিমে মেঘনা নদীর পাড়ে মাঝিরচর এলাকায় নোঙর করা এমভি আল-বাখেরা নামের জাহাজে যারা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন তাদের দুইজনের বাড়ি ফরিদপুরে। নিহত এই দুইজন সম্পর্কে মামা ও ভাগনে।
নিহত এই দুইজন ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের জোয়ারের মোড় এলাকার বাসিন্দা। নিহত মামার নাম গোলাম কিবরিয়া (৬৫)। তিনি জোয়ারের মোড় এলাকার মৃত আনিসুর রহমানের ছেলে। গোলাম কিবরিয়া ওই জাহাজের মাস্টার ছিলেন। নিহত অপরজন গোলাম কিবরিয়ার ভাগনে সবুজ শেখ (২৬)। তিনি ওই জাহাজে লস্কর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গোলাম কিবরিয়া চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে বড়। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা। অপরদিকে সবুজ শেখরা ছয় ভাই ও চার বোন। ভাইদের মধ্যে তিনি চতুর্থ।
এ বিষয়ে সবুজ শেখের মেজো ভাই মিজানুর রহমান বিপ্লব বলেন, ‘আমার ছোট ভাই সবুজ ২৫ দিন আগে মামার সাথে কাজে যায়। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে জানতে পারি মামা কিবরিয়া বিশ্বাসসহ সকলে মারা গেছে। এখন পর্যন্ত মামা নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও আমার ভাই সবুজের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে নিহত ৬ জনের পরিচয় জেনেছি। বাকি একজন আমার ভাই হতে পারে।’
কিবরিয়া বিশ্বাসের শ্বাশুড়ি লাভলী বেগম বলেন, ‘কি অন্যায় ছিল আমার মেয়ে জামাইয়ের। কারাই বা এভাবে এতোগুলো মানুষকে হত্যা করল। বর্তমান সরকারের কাছে আমাদের দাবি, এর একটি সুস্থ্য তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচার করা হবে।’
পানামা খালে কেন ট্রাম্পের চোখ
ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ কেন পড়বেন