জাতীয় ক্রিকেট লিগ টি-টোয়েন্টির ফাইনালে টস জিতে আগে বোলিংয়ে নেমে পেশীশক্তির প্রদর্শন দেখালো রংপুর। মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ এবং আলাউদ্দীন বাবুর বোলিং তোপে পাঁচ ওভার না যেতেই ঢাকা মেট্রোর ৫ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফিরে যেতে হয়েছে।
সিলেটের চোখ ধাঁধানো স্টেডিয়ামে মুগ্ধ ৩টি ও বাবু ২টি উইকেট শিকার করেন। এতে ১৮ উইকেট নিয়ে আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীও বনে গেছেন আলাউদ্দীন বাবু।
ঢাকা মেট্রোর ব্যাটিং ধসের শুরুটা করেন মুগ্ধ। তৃতীয় বলেই তিনি ফেরান ইমরানুজ্জামানকে। পরের ওভারে বাবুর হাতে বল তুলে দেন রংপুর অধিনায়ক আকবর আলী। মেট্রো অধিনায়ক ও আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক নাইম শেখকে শূন্য রানেই থামিয়ে দেন বাবু।
তৃতীয় ওভারে পর পর দুই বলে আনিসুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের উইকেট তুলে নেন মুগ্ধ। পঞ্চম ওভারে বাবু এসে তাহজিবুল ইসলামের উইকেট। ষষ্ঠ ওভার মেডেন দেন রবিউল হক। তাতে পাওয়ার প্লেতে ১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাকফুটে চলে গেছে ঢাকা মেট্রো। শামসুর রহমান ও মোসাদ্দেক হোসেন সেই ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করছেন ক্রিজে।
হামজা কি হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা
সিনার ও সাবালেঙ্কার উত্থানের বছর