এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ঢাকা মেট্রোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রংপুর বিভাগ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মানে চার-ছক্কার লড়াইয়। তবে ফাইনালে সেটির দেখা মেলেনি। তার আগে দুই কোয়ালিফায়ার ম্যাচেও দেখা গেছে ছোট স্কোরের ম্যাচ।
তবে এবারের টুর্নামেন্টে যে বড় স্কোরের ম্যাচ হয়নি এমননটি হয়। একই ম্যাচে দুই দলই দেড়শোর উপরে রান করেছে এমন ম্যাচ হয়েছে মোট ১৪টি। তবে দুই দলই দুইশোর উপরে রান করেছে এমন খেলা হয়েছে একটি। সিলেট ও ঢাকার গ্রুপ পর্বের ম্যাচ সেটি।
ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান ঢাকা মেট্রোর হয়ে খেলা নাঈম শেখের। ১০ ইনিংসে করেছেন ৩১৬ রান। ৭ ইনিংসে ২৮১ রান নিয়ে সিলেটের হয়ে খেলা জিসান আলম আছেন দুই নম্বরে। আট ইনিংসে ২৬৬ রান করে তিনে খুলনার হয়ে খেলা নুরুল হাসান সোহান।
আর বোলিংয়ে সবার উপরে রংপুর বিভাগের হয়ে খেলা আলাউদ্দিন বাবু। ৯ ম্যাচে নিয়েছেন ১৯ উইকেট। ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে দুইয়ে আহমেদ শরিফ। ঢাকা মেট্রোর রাকিবুল হাসান ১০ মাচে নেন ১৫ উইকেট।
টুর্নামেন্টে ৩২ ম্যাচে ৬৪ ইনিংসে মোট রান হয়েছে ৯৩২৩। গড়ে প্রতি ইনিংসে রান হয়েছে ১৪৫.৬৭ করে।
বাউন্ডারি হয়েছে ৭২৩টি, ছক্কা ৪১৮টি। ফিফটি হয়েছে মোট ৪১টি, তবে সেঞ্চুরি মাত্র দুটি। সেঞ্চুরির মতো শতরানের জুটিও হয়েছে কম। মাত্র তিনটি। আর পঞ্চাশ বা তার বেশি রানের জুটি হয়েছে ৪৩টি। উইকেট গেছে মোট ৪৪১টি।
সবশেষ ২০২৪ বিপিএলে ৯২ ইনিংসে হয়েছিল মোট ১৩৯১৯ রান। অর্থাৎ ইনিংস প্রতি গড় স্কোর ছিল ১৫১.২৯। ছক্কা হয়েছিল ৫৯৮টি।
যদি গড় হিসেব করা হয় গেল বিপিএলে ম্যাচ প্রতি গড় ছক্কা ছিল ১৩ টি করে। বিপিএলের চেয়ে এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ কম হলেও গড় ছক্কা ১৩.০৬ টি।
বিপিএলে যারা নিয়মিত খেলে থাকেন তাদের বাইরে অনেকে খেলেছেন এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দেখা যায় বিদেশিদের আধিপত্য। তবে দেশি ক্রিকেটারদের এই টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়রা দেখিয়েছেন হাত খুলে খেলার সাহসীকতা। তাই বলাই যায় সর্বশেষ বিপিএলের তুলনায় সফল এবারের এনসিএল টি-টোয়েন্টি।
ব্রাজিলে গিয়ে ‘অপকর্ম’ করে আর্জেন্টিনার চার নারী ফুটবলার গ্রেপ্তার
কে বলেছে মেসি আমার চেয়ে সেরা, প্রশ্ন রোনালদোর