ট্রিপল মার্ডার মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামিম দীর্ঘ ১৫ বছর পালিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানী ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, ২০০৯ সালে নগরের দপ্তরখানা এলাকায় মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। পারিবারিক কলহের জেরে নিজের মা, ভাইয়ের স্ত্রী এবং তার গর্ভে থাকা সন্তানকে হত্যা করে পালিয়ে যান শামিম।
থানা পুলিশ জানায়, ২০০৯ সালের সেই ঘটনায় নিহতদের পরিবার থেকে আজিজ মল্লিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ২০১১ সালে আদালত শামিমের ফাঁসির আদেশ দেন। তবে রায় ঘোষণার আগে থেকেই পলাতক ছিলেন শামিম।
মামলার বাদী আজিজ মল্লিক জানান, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে শামিম তার মাকে হত্যা করে। তখন আমার মেয়ে শিমু হত্যাকাণ্ডটি দেখে ফেলায় তাকেও নির্মমভাবে হত্যা করে। শিমু তখন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে যায় শামিম।
১৫ বছর পর আসামি গ্রেপ্তারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহতদের পরিবার। আজিজ মল্লিক কোতোয়ালি থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শামিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
গ্রেপ্তারকৃত শামিম বরিশাল নগরীর দপ্তরখানা এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ড পরিকল্পিত হতে পারে: চরমোনাই পীর
ভোটের অনুপাতে সংসদে দলগুলোর প্রতিনিধি চায়: জামায়াত আমির
সচিবালয় কিভাবে আওয়ামী মুক্ত করতে হয় ছাত্র-জনতা জানে: হাসনাত