আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় মামলায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাদের বখতসহ ৫ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ রবিবার দুপুরে তারা দ্রুত বিচার আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে জামিন চাইলে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক নির্জন মিত্র।
বাকি আসামিরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাহারুল আলম আফজল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শোয়েব আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ অপু ও ছাত্রলীগ কর্মী মছিবুর ইসলাম।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম শেফু বলেন, ‘৪ আগস্টের যে হামলায় ওনাকে জড়ানো হয়েছে। এটি মোটেও সঠিক নয়। তিনি কোনোভাবেই এ মামলায় জড়িত নয়। তিনি আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন চাইলে দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’
উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্টে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন এবং পুলিশের হামলায় গুলিবিদ্ধ জহুরের ভাই হাফিজ আহমেদ গত ২ সেপ্টেম্বর আদালতে দায়ের করা দ্রুত বিচার আইনের মামলার নাম উল্লেখ করে ৯৯ জনের মধ্যে নাদের বখত ৬ নম্বর এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শোয়েব আহমদ চৌধুরী ২৭ ও সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ অপু ২৮ নম্বর আসামি।
অন্য দুইজনও এই মামলার আসামি। এই মামলায় অজ্ঞাত আসামি ২০০ জন। ইতোমধ্যে এই মামলার আসামি সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান ও সাবেক এমপি মুহিবুর রহমান মানিক কিছুদিন কারাভোগ করে জামিনে রয়েছেন।
এদিকে, আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর সময় এজলাস থেকে নেমেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ধরেন আসামিরা। তাদের সঙ্গে আদালত প্রাঙ্গনে থাকা অন্য নেতাকর্মীরাও স্লোগান ধরতে থাকেন। পরে আদালত প্রাঙ্গনে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ার আগেই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাস্তায় থাকার হুঁশিয়ারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের
নায়িকার গাড়ি চাপায় মেট্রো শ্রমিক নিহত