ভ্যাট বৃদ্ধির ব্যাখ্যা দিলেন প্রেস সচিব

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:২৫ এএম

অর্থবছরের মাঝামাঝি সময়ে এসে শতাধিক পণ্য ও সেবায় মূল্য সংযোজন কর বা (ভ্যাট) বাড়ানোর পাশাপাশি ট্রাকে করে টিসিবির পণ্য বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ঘোষণার পর পরই দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। মূল্যস্ফীতির এ সময়ে ভ্যাট বৃদ্ধি ‘মড়ার ওপর খাড়ার ঘা’-এর মতো বলে মনে করছেন অনেকে।

তবে অন্তর্বর্তী সরকার ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে ভ্যাট বৃদ্ধি সাধারণ জনগণের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। রবিবার (১২ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে এসে একই কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা বলছি না যে ট্যাক্স বাড়ালে মানুষের ওপর প্রভাব পড়বে না। তবে আমরা মনে করছি সেটা খুবই মিনিমাম হবে।

দেশের মানুষের ভালোর জন্য এবং প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ট্যাক্স-জিডিপির অনুপাত বাড়াতে হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতেই কিছু পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে।

ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত কমে যাওয়া মানে যে ঋণ করা হচ্ছে, তা পরিশোধ করা সম্ভব নাও হতে পারে বলে জানান প্রেস সচিব। তিনি বলেন, স্ট্যাবিলিটি বাড়ানোর জন্য আমাদের ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে। গত ৫ মাসে আমাদের রাজস্ব ঘাটতি ৪২ হাজার কোটি টাকা। এ ঘাটতি আমাদের মেটাতে হবে। শফিকুল আলম বলেন, আমাদের কালেকশনের টার্গেট ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। সেটা হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকার একটু বেশি।

শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশে ট্যাক্স জিডিপির যে অনুপাত হার, এটা ২০২১ সালের পর থেকে খুব নেমে যাচ্ছে। এই বছর পাঁচ মাসে আমাদের ট্যাক্স ঘাটতি রয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা। আমাদের টার্গেট ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। সেটা হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকার একটু বেশি। বাংলাদেশের গ্রোথের জন্য ট্যাক্সটাকে একটা জায়গায় নিতে হবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কিছু ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত