একটা সময় টেনিস কোর্টে তারা ছিলেন একে অন্যের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বী। ‘চিরশত্রু’ বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। সাতটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালসহ বহুবার তারা মুখোমুখি লড়াই করেছেন। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই অ্যান্ডি মারে এখন নোভাক জকোভিচের কোচ। তার কোচিংয়েই চলতি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রথম জয়ের দেখা পেলেন জোকোভিচ, জানালেন নিজের অনুভূতি।
গতকাল সোমবার বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের প্রথম রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯ বছর বয়সী নিশেশ বাসাভারেডির ৪-৬, ৬-৩, ৬-৪, ৬-২ গেমে জিতেছেন জকোভিচ। ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তাকে আমার পাশে (কোচ হিসেবে) পেয়ে আমি রোমাঞ্চিত। অবশ্যই বলব যে, তাকে কোর্টসাইডে পাওয়াটা কিছুটা অদ্ভুত। আমরা ২০ বছরের বেশি সময় ধরে একে অপরের বিপক্ষে সর্বোচ্চ স্তরে খেলেছি, তাই তাকে আমার পাশে পেয়ে ভালো লাগছে।’
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সর্বোচ্চ ১০বার শিরোপা জয়ের রেকর্ড আছে জকোভিচের। এবার জিতলে মার্গারেট কোর্টকে ছাড়িয়ে টেনিস ইতিহাসে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের রেকর্ড তিনি একার করে নেবেন। সেই লক্ষ্যেই গত নভেম্বরে তিনবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী মারেকে কোচ হিসেবে নিযুক্ত করেন জকোভিচ। ৩৭ বছর বয়সী মারে গত প্যারিস অলিম্পিকস দিয়ে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনেছিলেন। এবার তাকে দেখা যাচ্ছে নতুন ভূমিকায়।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শিরোপার লড়াইয়ে চারবার মুখোমুখি হয়েছেন জকোভিচ-মারে, যেখানে জকোভিচের জয় ২৫টি, মারের ১১টি। ২০১৩ সালে জকোভিচকে হারিয়ে উইম্বলডন জিতেছিলেন মারে। পুরুষ এককে রেকর্ড ২৪ বারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী জকোভিচ আরও বলেন, ‘ম্যাচের সময় সে (মারে) আমাকে দারুণ কিছু পরামর্শ দিয়েছে। এভাবে আলোচনা করতে পেরে সত্যিই ভালো লাগছে। সত্যিই চমৎকার অভিজ্ঞতা। আশা করি, আমরা এখানেই থামব না।’
লিটনকে বাদ দেওয়ায় ভীষণ অবাক কিংবদন্তি অ্যামব্রোস
সিলেট পর্ব শেষে শীর্ষে রংপুর, তলানিতে সুজনের ঢাকা
সেঞ্চুরির পরদিনই পিএসএলে দল পেলেন লিটন দাস