কোহলিদের জন্য বোর্ডের ১০ নির্দেশনা, না মানলেই শাস্তি

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:১৭ পিএম

অস্ট্রেলিয়ার কাছে সিরিজ হেরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়ায় মহা বিপাকে পড়েছেন রোহিত শর্মারা। দলের শৃঙ্খলা এবং একতা ঠিক রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তারা ক্রিকেটারদের জন্য ১০টি নির্দেশনা জারি করেছে। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে বেতন-ভাতা কর্তন থেকে শুরু করে আইপিএল ও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে না দেওয়ার মতো শাস্তি দেওয়া হবে।

ইএসপিএনক্রিকইনফোর সৌজন্যে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বিসিসিআইয়ের ১০টি নির্দেশনা:

১. ঘরোয়া ক্রিকেট বাধ্যতামূলক: জাতীয় দল এবং কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পেতে সবাইকে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক। শুধু বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যানের অনুমোদনসাপেক্ষে ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকা যাবে।

২. টিম বাসে যাতায়াত বাধ্যতামূলক:  টিম হোটেল থেকে টিম বাসে করেই অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুতে যাতায়াত করতে হবে। হোটেল থেকে মাঠে বা মাঠ থেকে হোটেলে পরিবার নিয়ে আলাদাভাবে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যাওয়া যাবে না।

৩. বেশি ওজন বহন করা যাবে না: দলের সঙ্গে সফরের সময় অতিরিক্ত ব্যাগেজ বহন করা যাবে না। ৩০ দিনের বেশি লম্বা সফরের ক্ষেত্রে একজন খেলোয়াড় ৩টি স্যুটকেস ও ২টি কিট ব্যাগ অথবা সর্বোচ্চ ১৫০ কেজি ওজনের ব্যাগেজ নিতে পারবেন। আর সফর ৩০ দিনের কম হলে ব্যাগেজ নেওয়া যাবে ৪টি, ওজন ১২০ কেজির মধ্যে। এর বেশি ওজন হলে তার খরচ দিতে হবে সেই খেলোয়াড়কে।

৪. পরিবার নিয়ে বিদেশ সফরে নিয়ন্ত্রণ: ৪৫ দিনের বেশি বিদেশ সফরে সঙ্গী ও সন্তানদের নেওয়া যাবে। তবে প্রতি সিরিজে একবারই নেওয়া যাবে, অবস্থান করতে পারবে সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহ। এ ক্ষেত্রে খেলোয়াড় ও তার পরিবারের আবাসনের খরচ বিসিসিআই বহন করবে। অন্যান্য খরচ সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়ের। বোর্ডের অনুমতি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের আনার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. ব্যক্তিগত সহায়িকার বিষয়ে বাধ্যবাধকতা: ব্যক্তিগত ম্যানেজার, রাঁধুনি, সহকারী, নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়ে সফরে যেতে হলে বিসিসিআই থেকে পূর্বানুমতি নিতে হবে।

৬. সফরের সমাপ্তির নিয়ম: কোনো ম্যাচ যদি নির্ধারিত সময়ের আগেও শেষ হয়েও যায়, সিরিজ বা ট্যুর শেষ হওয়া পর্যন্ত খেলোয়াড়দের দলের সঙ্গে অবস্থান করতে হবে। আগেই চলে যাওয়া যাবে না।

৭.সেন্টার অব এক্সলেন্সে ব্যাগ পাঠানো: টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করে বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত সেন্টার অব এক্সলেন্সে ক্রীড়াসামগ্রী ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র পাঠাতে হবে। আলাদাভাবে পাঠাতে চাইলে খরচ সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে বহন করতে হবে।

৮. অনুশীলনে উপস্থিতি: প্রত্যেক খেলোয়াড়কে অনুশীলন সেশনের পুরোটা সময় দলের সঙ্গে থাকতে হবে। নিজের অনুশীলন শেষ হয়ে গেলে আগেভাগে চলে যাওয়া যাবে না।

৯. বাণিজ্যিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা: সিরিজ বা ট্যুর চলাকালে কোনো খেলোয়াড় (ব্যক্তিগত) বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। 

১০. বিসিসিআইয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ: বিসিসিআইয়ের অফিশিয়াল শুটিং, প্রচারণামূলক কার্যক্রম ও অন্যান্য আয়োজনে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে অংশ নিতে হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত