জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতি বাবুল কাজী আর নেই। আজ রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, বাবুল কাজীর শরীর ৭৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। শ্বাসনালীও পুড়ে গিয়েছিল। শনিবার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সেখানে তার চিকিৎসায় ১৯ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। সবশেষ রবিবার বিকেলে তিনি মারা গেছেন।
এর আগে, শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বনানী ১০৯ নম্বর রোডের এ ব্লকের ২৩ নম্বর বাসায় এই ঘটনাটি ঘটে। দগ্ধ অবস্থায় স্বজনরা তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে দগ্ধ বাবুল কাজীর বড় বোন খিলখিল কাজী জানান, বাবুল কাজীর বাসা বনানীর ২৩ নম্বর রোডে। সেখানে স্ত্রী নাদিরা ফারজানা রুনা ও দুই ছেলে, এক মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। বাবুল কাজী গার্মেন্টসের ব্যবসায়ী।
তিনি জানান, বাবুল কাজীর ধুমপানের অভ্যাস ছিল। শনিবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গিয়ে গ্যাস লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরাতে গেলে সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ হয়। তখন তিনি নিজেই বাথরুমের দরজা খুলে বাইরে বের হন। তখন স্ত্রী সন্তানরা মিলে তাকে বাসা থেকে বের করে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ধারণা করা হচ্ছে, বাথরুমে মিথেন গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হতে পারে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. মারুফুল ইসলাম বলেন, শনিবার সকালে তাকে দগ্ধ অবস্থায় স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার শরীরের ৭৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এ ছাড়া শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল।
সঙ্গী দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছেন না তো? কীভাবে বুঝবেন?
ঘরের মাঠে চিটাগাংকে টানা দুই হারের লজ্জায় ফেললো বরিশাল