ভাতের মাড় ফেলে দিচ্ছেন না তো

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৫, ০১:৩৪ পিএম

বাঙালির প্রধান খাবার ভাত। ভাত ছাড়া একবেলা চিন্তা করা যায় না বাঙ্গালির ঘরে। তবে বেশিরভাগ ঘরেই ভাতের মাড় ফেলে রান্না করা হয়। অনেকে হয়তো জানেনই না ভাত রান্নার পর ফেলে দেওয়া মাড়ে অনেক পুষ্টি, ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্টার্চ রয়েছে।

অনেকে প্রেশার কুকারে সিদ্ধ ভাত খান। সেখানে মাড় ঝরানোর ঝামেলা থাকে না। তবে পাতিলে ভাত রান্না করলেও এবার আর মাড় ফেলবেন না। ভাতের মাড় দিয়েই আরও একগুচ্ছ রান্না সেরে ফেলতে পারেন। 

স্যুপ ঘন করা 

শীতের রাতে গরম, ঘন স্যুপ খেতে কার না ভালো লাগে! স্যুপ খেলে শরীরও গরম থাকে। তা ছাড়া স্যুপ রান্না করতে বেশি সময়ও লাগে না। বেশিরভাগ সময় স্যুপ ঘন করতে কর্নফ্লাওয়ার বা ময়দা ব্যবহার করা হয়। এই সব উপাদান ব্যবহার না করে ভাতের মাড় মিশিয়ে দিন। সবজি, ডাল বা মুরগি, যে উপাদানেরই স্যুপ বানান না কেন, স্যুপ ঘন ও ক্রিমি করতে তুলতে ভাতের মাড় অনেক উপকারি এবং স্বাস্থ্যকরও।

দানাশস্য সিদ্ধ

প্রতিদিনের ডায়েটে যত বেশি ডালিয়া, কিনোয়ার মতো শস্য রাখবেন, স্বাস্থ্যের জন্য ততো ভালো। যে কোনও দানাশস্য সিদ্ধ করার সময় পানির বদলে ভাতের মাড় ব্যবহার করুন। এতে মিলেট জাতীয় শস্য সিদ্ধ হয়ে যাবে এবং খাবারের পুষ্টিগুণ আরও বেড়ে যাবে।

স্মুদি বা শেক

প্রতিদিন সকালে স্মুদি বা শেক খেয়ে কাজে বেরোনোর অভ্যাস অনেকেরই আছে। যে কোনও ফল, সবজি, বা বাদাম দিয়ে স্মুদি বানানো যায়। তাতে সাধারণত দুধ বা টক দই ব্যবহার হয়। যে দিন বাাসায় দুধ বা দই থাকবে না, সে দিন ভাতের মাড় দিয়ে স্মুদি বানিয়ে নিতে পারেন। ব্রেকফাস্টে ভাতের মাড় দিয়ে তৈরি খাবার খেলে পেট দীর্ঘক্ষণ ভর্তি থাকবে। তা ছাড়া এই ধরনের পানীয় হবে পুষ্টিতে ভরপুর।

ওটমিল

ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল হোক বা ওবেসিটি— এমন লাইফস্টাইল ডিজিজে ভুগলে প্রতিদিনের খাবারে ওটস রাখতে পারেন। বিভিন্ন উপায়ে রান্না করা যায় এই ফাইবার যুক্ত খাবার। খিচুড়ি বানান কিংবা ওটমিল, তাতে ভাতের মাড় ব্যবহার করতে পারেন। ভাতের ফ্যান দিয়ে ওটস সিদ্ধ করলে খাবারের পুষ্টির মাত্রাও বেড়ে যাবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত