অতিরিক্ত চুলকানি হলে দ্রুত যা করবেন

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৫, ০১:০৭ পিএম

ত্বকের চুলকানি বিব্রতকর একটি সমস্যা। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে শুরুতেই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ত্বকের সাধারণ সমস্যা অথবা সরল চর্মরোগ থেকে চুলকানির সূত্রপাত হয়েছে। আপনার চুলকানি অনুভূত হলে প্রথমে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা চেষ্টা করে দেখতে পারেন। কিন্তু এটাও মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ত্বকের চুলকানি কোনো মারাত্মক রোগেরও উপসর্গ হতে পারে, যেমন- কিডনির রোগ, লিভারের রোগ, সেলিয়াক রোগ ও লিম্ফোমা। 

শীতে বাড়ে অ্যালার্জির সমস্যা। কারণ এ সময় ত্বক শুকিয়ে খসখসে হয়ে যায়, কখনো আবার ফুসকুড়িও ওঠে, যা যন্ত্রণাদায়ক। চিকিৎসার পরিভাষায় এরই নাম ‘অ্যাটপিক ডার্মাটাইটিস’। অ্যালার্জির কারণে অথবা বিশেষ কোনো ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াতেও এমন হতে পারে। তার জন্য অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। ঘরোয়া উপায়েই ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকতে পারে।

চুলকানির সমস্যা কমাতে কী করবেন?
ত্বকের সমস্যা থাকলে সারা বছর ঈষদুষ্ণ পানিতে গোসল করা ভালো। গোসল করার পরেই সারা শরীরে ভাল করে মেখে নিতে হবে ময়েশ্চারাইজার। কী ধরনের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন, তা চিকিৎসকের থেকে জেনে নিতে হবে।

ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন
বাইরে থেকে ফিরে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। বেসিক ক্লিনজিং, টোনিং, ময়শ্চারাইজিংয়ের রুটিনটা ভাঙলে একদম চলবে না। ত্বকে সাবানের পরিবর্তে হালকা কোনো ক্লিনজার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা জেল ও কর্ন স্টার্চ মাখুন
ত্বকের জ্বালাভাব বা চুলকানি জাতীয় সমস্যার সমাধানে অ্যালোভেরা আর কর্ন স্টার্চের উপকারিতা উল্লেখযোগ্য। তিন ভাগ অ্যালোভেরা জেল ও এক ভাগ কর্ন স্টার্চ একসঙ্গে মিশিয়ে চুলকানির জায়গায় লাগাতে পারেন।

ভিটামিন ই অয়েল ও লেবুর রস
১ চা চামচ মতো ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল ও ২ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়েও ত্বকে লাগাতে পারেন। এতে চুলকানি কিছুটা কমবে। হালকা গরম পানিতে গ্রিন-টি ব্যাগ ভিজিয়ে চুলকানির জায়গায় লাগালে আরাম পাওয়া যায়।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত