গত কয়েক দিন ধরেই মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাইফ আলি খান। দুষ্কৃতিকারীর হামলায় তার শিরদাঁড়ায় গেঁথে ছিল আড়াই ইঞ্চি মাপের একটি ছুরির অংশ। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বের করা হয় সেই ছুরি। এখন অভিনেতা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
সে রাতের ওই ঘটনার পরই জেহ্ ও তৈমুরকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান কারিনার বোন কারিশমা। ঘটনার পর থেকে পুলিশের আনাগোনা লেগেই রয়েছে। তদন্তের কারণে বারবার হাজির হতে হচ্ছে পুলিশকে।
সোমবার দুই ছেলেকে নিয়ে নিজের ঘরে ফিরলেন কারিনা কাপুর। কিন্তু ফিরেই রাগে ফেটে পড়লেন।
হামলাকারী ধরা পড়তেই রবিবার বাবাকে হাসপাতালে দেখতে যায় অভিনেতার ছোট দুই সন্তান তৈমুর আলি খান এবং জেহ্। সঙ্গে তাদের মা কারিনা কাপুর খান।
হামলার রাতে আট বছর বয়সী তৈমুরই রক্তাক্ত সাইফকে অটোতে করে হাসপাতালে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। প্রাথমিকভাবে অবশ্য শোনা গিয়েছিল, বড় ছেলে ইব্রাহিম আলি খান নাকি হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন বাবাকে। ঘটনার পর থেকে নানা ধরনের মন্তব্য ছড়িয়েছে। একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এখনও তাতে বিরাম নেই। আর এতেই বেজায় চটেছেন বেবো।
বাড়ি ফিরে ইনস্টাগ্রামে তিনি লেখেন, ‘আপনাদের মন বলে কিছু নেই! আমাদের একা ছেড়ে দিন।’ যদিও এই পোস্ট শেয়ার করে নেওয়ার মিনিট কয়েকের মধ্যেই তা মুছে দেন অভিনেত্রী।
প্রেমে মজেছেন ‘দুষ্টু কোকিল’র মিমি, দিলেন ইঙ্গিত! 