টাঙ্গাইলে মরা গরুর মাংস বিক্রেতাকে এক মাসের জেল ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার মুহাম্মদ নাজমুল হাসান। বুধবার সকালে (১৩ ফেব্রুয়ারি) পৌরসভার সুপারি বাগান ওয়ালটন মোড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
এরা হলেন পৌরসভার ভাল্লুক কান্দি এলাকার লালচান খার ছেলে নুর এবং একই এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে আনোয়ার।
জানা যায়, বেড়াডোমা এলাকায় গরুর মালিক বাছেরের একটি ষাড় গরু মারা যায়। এরপর পাশেই মরা গরুটি ফেলে রাখেন। সেখান সারা রাত পাহারা দেয়। ঘটনাস্থলে ভোরে তিনজন মিলে গরুটি চামড়া ছাড়িয়ে রিকশা করে বাজারে নিয়ে এসে বিক্রি করছেন।
এ ঘটনায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে উপপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, পৌর এলাকার সুপারি বাগান ওয়ালটন মোড় বাজারে দিলু মিয়ার মাংস ঘরে মরা গরুর মাংস বিক্রি করছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছালে আমাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করে মাংস ব্যাবসায়ীর মালিক দিলু মিয়া পালিয়ে যায়। এরপর হাতে নাতে মরা গরুর মাংস জব্দ করে দুইজনকে ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যালয়ের সামনে নিয়ে আসা হয়। সেখানে সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান মাংস বিক্রেতা নুরু মিয়ার ছেলে আনোয়ারকে এক মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন এবং ৫০০০ টাকা জরিমানা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার ভেটেনারি ডাক্তার মো. শাহিন আলম, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ক্যাব টাঙ্গাইল শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল, জেলা ইন্সপেক্টর মমতা নজরুল ইসলাম এবং কসাই ইন্সপেক্টর সোহেল রানা প্রমুখ।
হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনকে স্বাগত জানাল অন্তর্বর্তী সরকার
প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আয়নাঘর ছিল, জানালেন প্রেস সচিব