বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে নিহত নিখোঁজ হাসানের মরদেহ শনাক্ত শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া সামান্দার মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে নিজ গ্রামে শহীদ হাসানকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরদেহ হাসানের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
হাসানের বাবা মো. মনির হোসেন বলেন, ‘গত ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন হাসান। দীর্ঘ ছয় মাসেও সন্ধান পাওয়া যায়নি তার। অবশেষে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে তার মরদেহ পাওয়া গেছে। ঢাকা মেডিকেলে কলেজ কর্তৃপক্ষ ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে হাসানের মরদেহ সনাক্ত করেন। পরে ঢাকা মেডিক্যাল থেকে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়’
দাফন শেষে হাসান হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন বৈষম্যবিরোধীরা। মিছিলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, শিক্ষার্থী ও হাসানের পরিবারের সদস্যরা মিছিলে উপস্থিত ছিলেন। হাসানের বাবা মনির হোসেন বলেন, ‘আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।’
এ সময় ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে? আমার ভাইয়ের রক্ত; বৃথা যেতে দেবো না; সাইদ, ওয়াসিম মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ; বিচার বিচার বিচার চাই,স্লোগান দেন মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা।
শহীদ মো. হাসান ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবান্দার গ্রামের দিনমজুর মো. মনির ও গোলেনূর বেগম দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান ও সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান ছিলেন।
