ঢাকার আশুলিয়া গোমাইল এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ১১ জন দগ্ধের ঘটনায় সুমন রহমান (৩৫) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এর আগে, গতকাল শনিবার রাতে মারা যান সুমনের বোন শিউলি আক্তার (৩২)।
সুমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, তার শরীরের ৯৯ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গতকাল রাতে ৯৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যায় সুমনের বোন শিউলী আক্তার। এই ঘটনায় আরও ৯ জন ভর্তি আছেন। এরমধ্যে ৭ জনের অবস্থা আশংকাজনক।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়া গোমাইল গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় দ্বিতীয় তলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাত ১টার দিকে দগ্ধদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধরা হলেন- সূর্য বেগম (৫০), তার ছেলে সোহেল (৩৮), সুমন রহমান (৩২) ও মেয়ে শিউলী আক্তার (৩২)। আর সুমনের স্ত্রী শারমিন আক্তার (৩৫), ছেলে সোয়াইদ (৪) ও মেয়ে সুরাইয়া (৩ মাস)। শিউলীর স্বামী মনির হোসেন (৪০), দুই ছেলে ছামির মাহমুদ ছাকিন (১৫) ও মাহাদী (৭)। সুমনের ফুফু জহুরা বেগম (৭০)।
প্রতিবেশী মো. আবু ইসহাক জানান, দগ্ধরা সবাই একই পরিবারের। ওই বাসার দুইতলায় ভাড়া থাকেন সুমন-শারমিন দম্পতি। ঘটনার পর খবর পেয়ে দ্রুত ওই বাসায় গিয়ে তাদের দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। পরে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার ধারণা, সিলিন্ডার গ্যাসের চুলা আগে থেকেই চালু ছিল। তখন দুই রুমে গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছিলো। কেউ একজন রান্না করতে গিয়ে আগুন জ্বালাতেই বিস্ফোরণ ঘটে।
কক্সবাজারে দেশের দীর্ঘতম আলট্রা-ম্যারাথন ‘কোস্টাল আলট্রা ২০২৫’
হুমকির মুখে স্থগিত ঢাকা মহানগর নাট্যোৎসব
ট্রাকের চাকার স্লাবে শুল্ক আদায়, বেনাপোলে কমেছে আমদানি