অ্যাশেজের আবহ নেই লাহোরে

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:৫৯ এএম

ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হলেই যে অ্যাশেজের আবহ তৈরি হয়, ব্যাপারটা ভুল প্রমাণ করেছে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। ক্রিকেটের দুই কুলীনই জগমোহন ডালমিয়ার মস্তিষ্কপ্রসূত এই টুর্নামেন্টটাকে মনে করেছে গোদের উপর বিষফোঁড়া, বছর জুড়ে ঘরোয়া আর আন্তর্জাতিক ঠাসবুনোট সূচির ভিড়ে এক অনাহূত উপদ্রব।  তাই তো এই আয়োজন নিয়ে নেই কোনো আগ্রহ, অস্ট্রেলিয়া তো দ্বিতীয় সারির দলই পাঠিয়েছে আর ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলার আগ্রহে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা ছাড়ছেন কেন্দ্রীয় চুক্তি। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড দ্বৈরথে তাই অ্যাশেজের ঝাঁজ নেই, আছে পানসে স্মৃতি।

২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনাল জয়ের পর এই আসরে আর কোনো ম্যাচ জেতেনি অস্ট্রেলিয়া! অবশ্য অনিয়মিত এই টুর্নামেন্ট এরপর হয়েছেই দুইবার, ২০১৭ সালের আসরে ৩ ম্যাচের দুটোই বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে আর ১ ম্যাচে কপালে হার জুটেছে অস্ট্রেলিয়ার। ২০১৩ সালে দুটো হার, একটা পরিত্যক্ত। অন্যদিকে ইংল্যান্ড ২ বারের রানার্সআপ, শিরোপা জেতেনি একবারও। বিশ্ব আসর নয়, আয়োজন অনিয়মিত এমন সব বৈশিষ্ট্যের জন্যই ক্রিকেটের দুই অভিজাতের কাছে বাড়তি কোনো মর্যাদা নেই এই ট্রফির। ভারত সফরে ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আবুধাবিতে ছুটি কাটিয়ে এসেছেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।

ম্যাচের ২ দিন আগেই একাদশ জানিয়ে দিয়েছে ইসিবি, তিনে খেলবেন জেমি স্মিথ আর জোফ্রা আর্চার আছেন একাদশে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার একাদশ গড়া নিয়ে টানাটানি। শ্রীলঙ্কার কাছে ওয়ানডে সিরিজ হেরে এসেছে অস্ট্রেলিয়া আর ভারতের কাছে ইংল্যান্ড। পাকিস্তানে দুই দলের দেখায় একটা দল জিতবেই, তবে এই আসরে খুব সম্ভবত তারাই গ্রুপের দুর্বলতম দুই দল। এমনটা সচরাচর দেখা যায় না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত