শেষ হলো নৌবাহিনীর ‘বিশেষ কম্বিং অপারেশন’

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৫, ০৩:৫৪ পিএম

দেশের মৎস্য সম্পদ ও জীব বৈচিত্র্যের সুরক্ষায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিশেষ কম্বিং অপারেশন শেষ হয়েছে। শুক্রবার বিশেষ কম্বিং অপারেশন শেষ হয় বলে আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দেশের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে উপকূলীয় জলাশয় ও নদী অববাহিকায় ১০ মিটারের কম গভীরতায় মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী সকল অবৈধ জাল অপসারণে নৌবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে সরকার কর্তৃক জারিকৃত ‘বিশেষ কম্বিং অপারেশন’ পরিচালনা করা হয়। গত ১২ জানুয়ারি হতে শুরু হয়ে ৪ ধাপে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ১৩২ কোটি ৪৭ লক্ষ ৬৬ হাজার ১০০ টাকার অবৈধ জাল ও জাটকা জব্দ করা হয়।

মৎস্য নিধনের ধ্বংসাত্মক অপতৎপরতা বন্ধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, শরীয়তপুর, বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা ও মুন্সিগঞ্জসহ মোট ১৬টি জেলায় বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করে। এ অপারেশনে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১২টি জাহাজ-ঘাঁটি এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বোট মোতায়েন করা হয়। ১২-১৯ জানুয়ারি, ২৫-৩১ জানুয়ারি, ৯-১৫ ফেব্রুয়ারি এবং ২১-২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪টি ধাপে মোট ৩০৩টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কারেন্ট জাল, মশারি জাল, চায়না দুয়ারি জাল, সুতার জাল, বাধা জালসহ সর্বমোট ১ কোটি ৭৬ লক্ষ ৬৫ হাজার ৮০০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়।

এ ছাড়া বেহুন্দি, টং জাল, চায়না রিংসহ সর্বমোট ৫৪২টি বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ জাল এবং ১০৯ কেজি জাটকা উদ্ধার করা হয়। যার ভিত্তি মূল্য ১৩২ কোটি ৪৭ লক্ষ ৬৬ হাজার ১ শত টাকা। অভিযানে জব্দকৃত অবৈধ জালসমূহ স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং জাটকা মাছ স্থানীয় এতিমখানায় দান করা হয়। পাশাপাশি এ সকল অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধে এবং বৈধ মৎস আহরণে তৎসংলগ্ন এলাকাসমূহে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত