কৃষি ব্যাংকের মতো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ব্যাংক তৈরির কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার। শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার মুশুরিয়া দুগ্ধ উৎপাদনকারী পিজিএল কার্যক্রম পরিদর্শন এবং মৎস্যজীবী ও খামারিদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফরিদা আখতার বলেন, ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা সন্তুষ্ট হয়ে সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকে দিয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক যদি স্বীকৃতি দেয়, তাহলে দ্রুতই মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হবে। আর এই ব্যাংক চালু হলে দাদন ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। এতে করে বিভিন্ন মাছ, বিশেষ করে ইলিশের দাম কমে যাবে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে কৃষি এবং মৎস ও প্রাণিসম্পদ দুইটি একত্রে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে কেন যে আলাদা সেটি বুঝি না। কৃষি জমিতে যে কীটনাশক দেওয়া হয় সেটি মাছ এবং গরু-ছাগলের জন্য ক্ষতিকর। যারা পশু পালন করেন তাদের খেয়াল রাখা উচিৎ যেন ওই খামারের আশেপাশে যাতে কেউ জমিতে কীটনাশক দিতে না পারে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তাকে অবহিত করারও আহ্বান জানান তিনি।
রাজনীতির আগে আমার পরিচয়, আমি মুসলমান: হাসনাত