বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার অস্কার। এ পুরস্কারের জন্য যেমন মুখিয়ে থাকেন সিনেমার তারকা ও কলাকুশলীরা, ঠিক তেমনি অনুষ্ঠান দেখার জন্য অপেক্ষা করেন দর্শক। জনপ্রিয় জমকালো এ অনুষ্ঠানকে আরও উপভোগ্য করে তোলে তারকাদের চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স তার অবাক করা কিছু মুহূর্ত।
বিভিন্ন সময় অস্কারের আসরে ঘটেছে মনে রাখার মতো অনেক ঘটনা। যা দেখে রীতিমতো অবাক বনে যান অস্কারে উপস্থিত অতিথি ও দর্শক। সময়ের স্রোত পেরোলেও সে মুহূর্ত বা ঘটনা যেন সহজে ভুলতে পারেন না ভক্তরা।
১৯৩১ সালের অস্কারে তৃতীয়বারের আয়োজনে ঘটেছিল এক মজার ঘটনা। বিশ্বের একমাত্র তারকা, যিনি অস্কার পুরস্কারের মঞ্চে নিজের নাম নিজেই ঘোষণা করেছিলেন। অভিনেত্রী নর্মা শিয়েরারকে আমন্ত্রণ জানানো হয় ‘সেরা অভিনেত্রী’ শাখার পুরস্কার ঘোষণা করতে। সেবার তিনি একই শাখায় দুটি ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তখন নিজেই নিজের নাম ঘোষণা করেন অভিনেত্রী।
অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর চরিত্রে অভিনয় করে নিজেও জয় করেন অস্কার। মার্টিন স্করসেজির ‘দ্য অ্যাভিয়েটর’ এ অস্কারজয়ী অভিনেত্রী ক্যাথরিন হেপবার্নের চরিত্রে অভিনয় করে অভিনেত্রী কেট ব্লানচেট ২০০৪ সালে নিজেই জয় করেন অস্কার।
অস্কার ইতিহাসে সেরা সিনেমার নাম নিয়ে ঘটে এক ভুল। এমন ভুলের ঘটনা দ্বিতীয়টি নেই। ঘোষণা করা হয় ‘লা লা ল্যান্ড’ এবারের অস্কারের সেরা সিনেমা। পরে তারা পুরস্কারও নেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের একটি বড় ভুল হয়েছে। মূলত সেরা সিনেমার পুরস্কার পাবে ‘মুনলাইন’ সিনেমা।
একবার তো ‘অস্কার’ নামের এক ব্যক্তি পেলেন অস্কার পুরস্কার। অস্কার ইতিহাসে এই নামে একজনই এখন পর্যন্ত পুরস্কারটি পান। তিনি পাঁচবার অস্কার মনোনয়ন পেয়ে দুবার পুরস্কার পেয়েছিলেন।
২০২৩ সালের ঘটনাটি তো এখনো সিনেমাভক্তদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে। অস্কারের মঞ্চে অভূতপূর্ব এক ঘটনার সাক্ষী হয় বিশ্ব। অভিনেতা উইল স্মিথের স্ত্রী জাডা পিংকেট স্মিথকে নিয়ে রসিকতা করেন সঞ্চালক ক্রিস রক। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্চে উঠে সঞ্চালককে চড় মারেন উইল স্মিথ। বহুল আলোচিত সেই ঘটনার পর ক্রিসের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন স্মিথ, সেই সঙ্গে অস্কারে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধও হয়েছেন এই অভিনেতা।
