সাভারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আল আমিন (২১) নামে এক আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাসহ ১৬৮ জনের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহতের বন্ধু পরিচয়ে সাভারের বক্তারপুরের বাসিন্দা হারুন হোসেন নামে এক ব্যক্তি সোমবার মামলাটি (নং-৪) দায়ের করেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা।
নিহত আল আমিন কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার দৌলতপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে একই উদ্দেশ্যে পরস্পরের যোগসাজশে মারধর, গুলিবর্ষণ, হত্যার হুকুম এবং প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই বিকেল ৩ টার দিকে সাভারের রেডিও কলোনী শ্যামলী বাস কাউন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন আল আমিন। তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে তার মৃতদেহ কুমিল্লা জেলাধীন বরুড়া থানা অন্তর্গত দৌলতপুরে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।
মামলার এজারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব, তার একান্ত সহকারী রাজু আহম্মেদ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর, শ্যালক মাজহারুল ইসলাম রুবেল, সাভার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক,সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গনি, তার ছেলে আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হাসান তুহিন, মেহেদী হাসান তুষার, সাভার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা, বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন প্রমুখ।
রিকশাচালককে জুতাপেটা, সেই সমাজসেবা কর্মকর্তা বরখাস্ত
ভোজ্যতেলের কিছু সমস্যা থাকলেও বাড়েনি শাকসবজির দাম