ব্রাদার্স ইউনিয়নের যে বোলাররা প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে রান হজম করেছিলেন। স্কোরবোর্ডে দিয়েছিলেন ৪২২ রানের রেকর্ড সংগ্রহ। সেই বোলারদের নিয়েই আজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন তামিম ইকবাল ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। তাদের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছেন দেশসেরা ওপেনার। তাতে সহজ জয় তুলে নিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।
স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন তামিম ইকবাল। আগের ম্যাচের শতকের পর এবারও দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে এনে দিলেন আরেকটি সেঞ্চুরি। তার অপরাজিত সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ব্রাদার্স ইউনিয়নের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ওপেনাররা ব্যর্থ হওয়ার পর তিনে নামা ইমতিয়াজ হোসেন (৫৯ বলে ৪৩) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় দলটি। আইছ মোল্লাহ ৩২ রান ও অধিনায়ক মাইশুকুর রহমান ১৯ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৮.৪ ওভারে ১৮৭ রানে অলআউট হয় ব্রাদার্স।
মোহামেডানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাইজুল ইসলাম, ৪টি উইকেট শিকার করেন মাত্র ৩১ রানে। আবু হায়দার রনি নেন ৩টি উইকেট, আর মেহেদি হাসান মিরাজ ঝুলিতে ভরেন ২ উইকেট।
১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মোহামেডানের ব্যাটিং। ওপেনার তামিম ইকবাল ও তিন নম্বরে নামা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সহজেই জয় নিশ্চিত করে দলটি।
৯৬ বলে ১০৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তামিম, হাঁকান ১২টি চার ও ৩টি ছক্কা। তার সঙ্গে অঙ্কনও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন, ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
মাত্র ৩২.৫ ওভারে ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে একমাত্র উইকেটটি শিকার করেন আল আমিন হোসাইন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ব্রাদার্স ইউনিয়ন: ১৮৭/১০ (৪৮.৪ ওভার)
(ইমতিয়াজ ৪৩, আইছ ৩২; তাইজুল ৪/৩১, রনি ৩/২৪)
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব: ১৯১/১ (৩২.৫ ওভার)
(তামিম ১০৫*, অঙ্কন ৭৫*)
ফল: মোহামেডান ৯ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: তামিম ইকবাল
প্রাইম ব্যাংককে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিল রূপগঞ্জ
ওয়ানডে অধিনায়ক হওয়ার ‘ইচ্ছা আছে’ বেন স্টোকসের