জাতীয় দলের সম্ভাবনাময় তারকা ফাহমিদুল ইসলামকে নিয়ে শুরুতে অনেক আশার কথা শুনিয়েছিলেন কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। কিন্তু সৌদি আরবের ক্যাম্প শেষে দল যখন ঢাকায় ফিরল, তখন দলে দেখা গেল না ১৮ বছর বয়সী এই তরুণকে। ফিরে গেছেন ইতালিতে।
চোটজনিত কোনো সমস্যা নয়। ইনজুরির শিকার হননি তিনি। বরং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। তবুও শেষ পর্যন্ত কেন তিনি দলের সঙ্গে থাকলেন না, সেটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
এদিকে, এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা রকম তথ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোনো কোনো সংবাদে বিভ্রান্তিকর তথ্যও ছড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইতালিয়ান ফুটবলার ফাহামিদুল ফেসবুকে জানিয়েছেন স্ট্যাটাস দিয়ে।
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেছেন, 'আমি লক্ষ্য করেছি যে মাঠের একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কিছু সংবাদ গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। দুর্ভাগ্যবশত, বিভিন্ন ধরনের তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, যার সবকটি পুরোপুরি সত্য নয়। খেলাধুলায় মাঝেমধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে, তবে সেগুলো দলের ভেতরেই থাকা উচিত, কারণ প্রতিটি খেলোয়াড়ই খেলায় এবং দেশের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ।
মেহেদি হাসান শ্রাবণ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। তিনি একজন পেশাদার খেলোয়াড়, যিনি সবসময় দলের জন্য তার সেরাটা দিয়েছেন। কোনো খেলোয়াড়েরই অপমান বা হুমকির শিকার হওয়া উচিত নয়, বিশেষ করে সেই ভক্তদের কাছ থেকে, যারা তাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হওয়ার কথা।
ফুটবলপ্রেমী হিসেবে আমাদের উচিত খেলোয়াড়দের পাশে থাকা, তাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান জানানো এবং প্রতিটি চ্যালেঞ্জে তাদের সমর্থন করা। আসুন, আমাদের ক্রীড়াবিদদের সাহস যোগাই, তাদের মনোবল ভাঙার পরিবর্তে।'
গত ১০ মার্চ সৌদি আরবের ক্যাম্পে যোগ দিয়েছিলেন ফাহমিদ। সেখানে অনুশীলনে তাকে ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেলেও মূল দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই গিয়েছিল।
দর্শকসংখ্যায় বিশ্বকাপকেও ছাড়িয়ে গেল চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
এক বিভক্ত জাতির আকাঙ্ক্ষা যখন দলীয় সাফল্য
সৌদি বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম নির্মাণে প্রথম প্রাণহানি, পাকিস্তানি শ্রমিকের মৃত্যু