অন্যান্যবার রমজান মাসে ঘন ঘন লোডশেডিং থাকলেও এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে স্বস্তিতে ছিল দেশের সাধারণ মানুষ। কিন্তু আসছে গ্রীষ্মে গরমের মাত্রা বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে যে বিপুল অর্থের প্রয়োজন, তার জোগান দেওয়াই অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল পরিমাণ বকেয়া সেই চ্যালেঞ্জ আরও বাড়িয়েছে।
যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রমজানের মতো গ্রীষ্মেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবশ্য এই খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত তাপমাত্রা এবং ডলারের জোগানের ওপর নির্ভর করবে গ্রীষ্মের বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি। গরম বাড়লে এবং চাহিদামতো ডলারের জোগান নিশ্চিত করতে না পারলে লোডশেডিং বাড়বে। সে ক্ষেত্রে অন্তত তিন হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের (সরবরাহ ঘাটতি) পাশাপাশি গ্যাসসংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
ঢাকার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দু-তিন বছর ধরে গ্রীষ্মে স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির যে প্রবণতা এবারও তা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে রমজানের পর আস্তে আস্তে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে গরমের অনুভূতিও।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। সেই সঙ্গে সেচ মৌসুমের কারণে কৃষকের সেচকাজের জন্য বিদ্যুতের চাহিদা আরও বেড়ে যাবে। আসছে গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাবে বলে এরই মধ্যে পূর্বাভাস দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, এবারের গ্রীষ্মে লোডশেডিং হতে পারে দেড় হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু অর্থ ও ডলার সংকটে জ্বালানি আমদানি বাধাগ্রস্ত হলে লোডশেডিং তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যেতে পারে।
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি এবং দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিল পরিশোধে ডলার প্রয়োজন। কিন্তু নগদ টাকা থাকলেও দেশে ডলারের সংকট চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। এ বিষয়টি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে ২৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কেটে যেত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সঞ্চালন লাইন নির্মাণে ধীর গতিসহ নানা কারণে কেন্দ্রটি নির্ধারিত সময়ে উৎপাদনে আসতে পারেনি। এ বছরের মাঝামাঝি কেন্দ্রটির ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট চালু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে পটুয়াখালীতে কয়েক মাস আগে চালু হওয়া ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র আশা জুগিয়েছে।
গ্রীষ্মে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিতে আগামী জুন পর্যন্ত ৫১৭ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৩ হাজার কোটি টাকা) চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), বিদ্যুৎ ও তেল আমদানি এবং বকেয়া বিল শোধ করতে এই অর্থ প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির পাওনা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদ্যুৎ কেনা বাবদ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি দেনা জমে। এসব বকেয়ার বড় অংশই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের। কোম্পানিগুলো দ্রুত পাওনা পরিশোধে এখন অন্তর্বর্তী সরকারকে তাগাদা দিচ্ছে।
অর্থসংকটে কয়লা, ফার্নেস অয়েল ও গ্যাস আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত বছর গ্রীষ্ম মৌসুমে বিভিন্ন সময় পায়রা, রামপাল, এস আলমসহ অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ ছিল। যার প্রভাবে বেড়ে গিয়েছিল লোডশেডিং। তখন বাধ্য হয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকার তালিকা করে লোডশেডিং দিয়েছিল দেশ জুড়ে।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যুতের বকেয়া বিল আদায়ে চাপ দিতে থাকে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি। একপর্যায়ে তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছিল। তবে এখন সেই বকেয়ার পরিমাণ কমে এসেছে। ফলে তারাও বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়িয়েছে। এর আগে জ্বালানি সরবরাহকারী বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বকেয়ার কারণে সরবরাহ বন্ধ বা কমিয়ে দিলেও সেসব বকেয়াও আস্তে আস্তে পরিশোধ করা হচ্ছে।
দেশীয় বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকরাও তাদের পুরনো বকেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে সরকারকে। চাহিদামতো বকেয়া পরিশোধ করা না হলে গ্রীষ্মে তাদের পক্ষে প্রয়োজনমতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে। যদিও এসব বকেয়া বেশ পুরনো এবং বিগত সরকারের আমলে এসব কেন্দ্রের মালিকরা বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে সরকারের কাছ থেকে নানা সুবিধা নিয়েছে।
বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন ও এলএনজি সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর বকেয়া প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। জ্বালানি তেল কোম্পানিগুলো বিপিসির কাছে পাবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গ্রীষ্মে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ নানা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, সবার প্রচেষ্টায় গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সহনীয় থাকবে।’
বিদ্যুৎ উৎপাদনে অর্থের সংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুরনো বকেয়ার পাশাপাশি প্রতি মাসে নতুন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের চাপ রয়েছে। প্রতি মাসের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করাই চ্যালেঞ্জ। তারপরও আমরা “চেক অ্যান্ড ব্যালান্স” নীতি অনুসরণ করে পুরনো বকেয়ার পাশাপাশি নতুন বিদ্যুৎ বিলও সাধ্যমতো পরিশোধের চেষ্টা করছি। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিল পরিশোধ করা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ও সহযোগিতা করছে। এ ব্যাপারে সরকারের চেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই।’
গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দিনে প্রয়োজন দেড় লাখ টন ফার্নেস অয়েল ও ১৫ থেকে ১৬ হাজার টন ডিজেল। দৈনিক কয়লার চাহিদা ৪০ হাজার টন। বিদ্যুৎ উৎপাদনে দিনে ১৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে কেন্দ্রগুলো সরবরাহ পাচ্ছে গড়ে ১০৫ কোটি ঘনফুট। এপ্রিল থেকে ১২০ কোটি ঘনফুট গ্যাস বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোয় দেওয়া হবে। গত বছর বিদ্যুৎ খাতে গড়ে ১১০ থেকে ১১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস দিয়েছিল পেট্রোবাংলা।
বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, চলমান ও বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য জুন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৩০ কোটি টাকা (১১৫ কোটি ডলার) লাগবে। এর মধ্যে ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের (আদানি বাদে) বিল শোধে কমপক্ষে ৯ হাজার ৬৮ কোটি টাকা প্রয়োজন। বাকি টাকা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কয়লা আমদানির জন্য ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া মার্চ থেকে জুনের মধ্যে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বিল পরিশোধে অতিরিক্ত ৭ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা চেয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
চলতি মাস থেকে জুনের মধ্যে ৩৬ কার্গো এলএনজি আমদানির জন্য জ্বালানি বিভাগ ২০ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা চেয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে এলএনজি আমদানির বকেয়া বিল শোধে। একই সময়ের মধ্যে জ্বালানি তেল আমদানি বিল এবং জ্বালানি খাতের জন্য ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফিন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি) থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধে ২০ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা লাগবে।
চলতি রমজানে স্বস্তি : এর আগের বছরগুলোয় রোজার মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত রমজানে লোডশেডিং থেকে রেহায় মেলেনি। ঢাকাসহ কিছু বড় শহরগুলোয় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোটামুটি স্বস্তিদায়ক থাকলেও গ্রামাঞ্চলে গড়ে অন্তত ছয়-সাত ঘণ্টা লোডশেডিং ছিল। গত রমজানে দৈনিক গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হলেও, এবার নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাচ্ছেন গ্রাহকরা।
রমজানে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার হাড়োকান্দী গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গতবার বিদ্যুৎ নিয়ে অনেক ভোগান্তি ছিল। কিন্তু এবার রমজানে এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। মানুষ স্বস্তিতে রোজা পার করছে।’
চলতি মাসে রোজা শুরুর পর প্রথম দুই সপ্তাহ বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে। তারপর চাহিদা ১৫ হাজার মেগাওয়াট ছাড়ালেও প্রায় পুরোটাই জোগান দেওয়া গেছে। বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে ১৩ হাজার থেকে সাড়ে ১৩ হাজার মেগাওয়াট।
এ প্রসঙ্গে পিডিবির চেয়ারম্যান রেজাউল করিম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘উপযুক্ত পরিকল্পনা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিকল্পনাগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নের কারণেই রমজানে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে। সরকারের আন্তরিকতা, বিশেষ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার বড় ভূমিকা রয়েছে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পেছনে।’
এদিকে চাহিদামতো গ্যাস না পাওয়ায় বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে গ্যাসভিত্তিক দাম সাশ্রয়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদনের লক্ষ্য থাকলেও গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে গড়ে সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করা যাচ্ছে। লোডশেডিং সামাল দিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হচ্ছে উচ্চমূল্যের তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারের ব্যয়ও বাড়ছে।
গত বছর মার্চের মাঝামাঝি শুরু হয় রমজান মাস। বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য বলছে, দিনের বেলায় সর্বোচ্চ ৫১৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল ১৪ মার্চ। রাতে সর্বোচ্চ ছিল ৩০ মার্চ ৬৬৬ মেগাওয়াট। সেদিন সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৩ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াট।
চলতি রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এলএনজি, কয়লা, ফার্নেস অয়েল আমদানিতে অর্থের জোগান নিশ্চিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা। আশ্বাস দেন যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়া রমজানে লোডশেডিং হবে না।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সরকার রমজানে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বেশ ভালোভাবে ম্যানেজ (সামাল) করেছে। যার কারণে মানুষের মধ্যে স্বস্তি রয়েছে। তবে গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। তখন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কারণ ডলার সংকটের কারণে সরকার চাইলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানি আমদানি করতে পারবে না। আবার যেভাবে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে, তা বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘তবে সবকিছু ভালোভাবে ম্যানেজ করা গেলেও অন্তত এক হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হবে এই গ্রীষ্মে। না হলে তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে আমরা যদি সবাই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী নীতি অবলম্বন করি, তাহলে লোডশেডিং অনেকটাই কমানো সম্ভব,’ যোগ করেন তিনি।
