রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম ও মুগদা এলাকায় দুই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাদের পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মুগদার ঘটনায় মো. সাগর ও দারুস সালাম এলাকার ঘটনায় মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুগদা মানিকনগর এলাকায় ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের শিশুকে গতকাল বুধবার দুপুরে পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাফায়েত মুকুল বলেন, গত ২৮ মার্চ ১২ বছরের এক শিশুকে কৌশলে ডেকে নিয়ে তার ভাড়া বাসায় ধর্ষণ করেন সাগর। পরে মঙ্গলবার শিশুটির বাবা অভিযোগ করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে মুগদা থানা মামলা করেন। পরে আমরা শিশুকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এসে ওসিসিতে ভর্তি করি। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে দারুস সালামে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী। ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবা বলেন, আমার মেয়ে দারুস সালামে একটি গার্মেন্টসের কর্মী। সোমবার রাতে অভিযুক্ত হাসান তার বোনের বাসায় বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়েকে নিয়ে যায়। পরে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গাবতলীর একটি হোটেলে নিয়ে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করে। বাসায় ফিরে আমার মেয়ে সব জানালে আমি দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসি।
দারুস সালাম থানার ওসি রাকিবুল হাসান জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছেন।
