অসহায় ফিলিস্তিনিদের জন্য মন কাঁদছে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহদের

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:১৯ পিএম

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলা অব্যাহত রয়েছে। একের পর এক বোমার আঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে পুরো শহর। হাসপাতাল, ঘরবাড়ি সবকিছুই এখন মাটির সাথে মিশে গেছে। মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিচ্ছে হাজারো নিরীহ প্রাণ। এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে শোকে মুহ্যমান বিশ্ববাসী।

অসহায় ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে কাঁদছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও। নিজের ফেসবুক পেজে ফিলিস্তিনের পতাকার ছবি পোস্ট করে মুশফিকুর রহিম প্রার্থনা করেছেন নির্যাতিতদের জন্য। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘ওহ আল্লাহ, নির্যাতিতদের সব জায়গায় সাহায্য করুন। ওহ আল্লাহ, আপনি তাদের রক্ষাকর্তা, সাহায্যকারী ও শক্তিদাতা হিসেবে কাজ করুন।’

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও প্রকাশ করেছেন তার গভীর আবেগ। ক্ষতিগ্রস্ত গাজার ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘হে আল্লাহ, দয়া করে সাহায্য করুন। হে রাহমানুর রাহিম, দয়া করে সাহায্য করুন। হে আল্লাহ, আপনি আমাদের রক্ষাকর্তা। দয়া করে তাদের রক্ষা করুন ও বিজয়ী বানিয়ে দিন। আমিন। হে রব, এটা সহ্য করা যাচ্ছে না। আপনি আল-আহাদ, আপনি আস-সামাদ। হে আল্লাহ, দয়া করে রক্ষা করুন।’

গাজার ধ্বংসযজ্ঞ দেখে আবেগ সামলাতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। বিধ্বস্ত ঘরবাড়ির ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘গাজার আকাশ আজও বারুদের গন্ধে ভারী। গাজার আকাশ আজ অন্ধকার। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ঘরবাড়ি। নিস্তব্ধ শিশুরা কাঁদছে নিঃশব্দে। প্রতিটি কান্না প্রতিধ্বনিত হচ্ছে আমাদের হৃদয়ে। আসুন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ মিলাই, নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াই, আর গাজার জন্য আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ, নির্যাতিতদের ধৈর্য দিন, গাজাকে শান্তি ও নিরাপত্তা দিন।’

কেবল জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাই নন, গাজার জন্য কষ্ট প্রকাশ করেছেন যুবাদের নায়ক আকবর আলীও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘গাজা শুধু একটি ভৌগোলিক নাম নয়, এটি যেন আজ নির্যাতিত মানুষের প্রতীক! দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। পুরো বিশ্ব এই গণহত্যার জন্য দায়ী থাকবে। বিশেষ করে আরবসহ প্রতিটি মুসলিম দেশ, যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও এর প্রতিবাদ করেনি। হে আল্লাহ, গাজাসহ বিশ্বের প্রত্যেকটা মুসলমানকে আপনি কুদরতি শক্তি দ্বারা হেফাজত করুন।’

ক্রিকেটারদের এ মানবিক আহ্বান আজ আরও একবার মনে করিয়ে দিচ্ছে, খেলার ময়দান ছাড়িয়ে মানবতার লড়াইয়েও তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত