সেন্টমার্টিনের অদূরে বঙ্গোপসাগর থেকে ৪টি মাছ ধরার ফিশিং ট্রলারসহ মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির ধরে নিয়ে যাওয়ার ৩৬ ঘণ্টা পরও ২৩ জেলের ধরে কোন প্রকার খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে মৌলভীরশীল নামক এলাকার বাংলাদেশ জলসীমানা থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৪টি ফিশিং ট্রলার ও মাঝিমাল্লাসহ ধরে নিয়ে গেছে বলে জানান টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীয়া ফিশিং ট্রলার মালিক সমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে সেন্টমাটিনের অদুরে মাছ শিকারের সময় মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) সদস্যরা স্পিড বোটযোগে এসে মাছ ধরার ট্রলারগুলো নিয়ে যায়। এর মধ্যে একটি ট্রলারের মালিক আমি, যেখানে ৫ জন জেলে ছিল। অপর ৩টির মধ্যে মোহাম্মদ শাওনের ট্রলারে ৬ জন এবং আবদুল হাকিমের ২ টি ট্রলারে ১২ জন জেলে রয়েছে। এই ২৩ জেলের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। আগেও ধরে নিয়ে যাওয়াদের ফেরত আনা হয়েছে। এখন যেন দ্রুত তাদের ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সাবরাং ইউনিয়নের ৭নম্বর ওযার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান বলেন,‘সাগর থেকে আবারো মাছ ধরার ৪টি ট্রলারসহ ২৩ জনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের কোনো খবর স্বজনরা পাননি। ফলে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের লেঃ কমান্ডার সালাউদ্দিন রশিদ তানভীর বলেন, ধরে নিয়ে যাওয়া ট্রলারসহ জেলেদের ফেরত আনতে কাজ চলছে।
টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান বলেন, সাগর থেকে ট্রলারসহ জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে ফেরত আনার প্রচেষ্টা শুরু করেছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘মাছ ধরার ট্রলারসহ জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীদের সাথে আলোচনা করে তাদের ফেরত আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ট্রাক্টরের ধাক্কায় বড় ভাই নিহত, আহত ছোট ভাই
বাংলাদেশে হোলসিম বিনিয়োগকে স্বাগত জানালেন প্রধান উপদেষ্টা