ইছামতীর কচুরিপানা স্বেচ্ছাশ্রমে অপসারণের উদ্যোগ

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:৩৬ এএম

কচুরিপানায় অতিষ্ঠ ঢাকার নবাবগঞ্জ ও দোহারের ইছামতী নদীর পাড়ের মানুষের জীবন। নদীতে স্রোত নেই, ফলে কচুরিপানায় সয়লাব ইছামতী নদীর বিভিন্ন অংশ। ধাপারী বাজার থেকে বান্দুরা হয়ে শিকারীপাড়া বেড়িবাঁধ পর্যন্ত ও দোহারের কার্তিকপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থান কচুরিপানা এখন স্তূপে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কচুরিপানা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তার ওপর নদীতে স্রোত না থাকায় বড় হয়ে এগুলো স্তূপে পরিণত হয়েছে। অসংখ্য স্থানে কচুরিপানা পচে নষ্ট হয়ে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। পচা পানির কারণে বাড়ছে রোগবালাই। এমন পরিস্থিতিতে নদীতে যে অল্পকিছু মাছ ছিল, তা মরে ভেসে উঠছে। এতে বেকার হয়ে পড়েছেন নদীসংশ্লিষ্ট জেলেরা। তবে, কচুুরিপানার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাইলেও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেই। 

ইতিমধ্যে ইছামতী নদী থেকে কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছেন ‘ইছামতী নদীর কচুরিপানা অপসারণ কমিটি।’ এতে একাত্মতা প্রকাশ করেছে ‘সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টোর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম’ ও ‘নৌকাবাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটি’। এই তিন সংগঠনের সমন্বয়ে এবার ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের ইছামতী নদীর নারায়ণপুর-দাউদপুর পয়েন্টের কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ৯টায় ইছামতী নদীর কচুরিপানা অপসারণের এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইছামতী নদীর কচুরিপানা অপসারণ কমিটির উদ্যোক্তা মো. খালেদ বিন ওয়াহিদ কনক, ইছামতী নদীর কচুরিপানা অপসারণ কমিটির সমন্বয়ক মো. রাশিম মোল্লা, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ আলম প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত