গাজা উপত্যকার অধিকাংশ এলাকায় শিগগিরই সামরিক অভিযান আরও জোরালোভাবে সম্প্রসারিত করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্তজ।
গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে কার্তজ জানান, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’-এর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, যা রাফা ও খান ইউনিস শহরকে একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
এর আগে খান ইউনিস ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। জানানো হয়েছে, গাজা থেকে আকাশপথে সম্ভাব্য হামলার জবাবে পাল্টা আঘাতের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে হামাস এ ধরনের হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
উল্লেখ্য, ১৮ মার্চ থেকে যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফের হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। এরপর থেকেই গাজার বড় একটি অংশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে তারা। নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজারো গাজাবাসী।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাফা ও খান ইউনিসের মধ্যবর্তী গাজা উপত্যকার সাবেক ইহুদি বসতি ‘মোরাগ এক্সিস’ এলাকার নিয়ন্ত্রণও বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে। এর ফলে খান ইউনিস কার্যত রাফা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গাজার প্রায় এক–পঞ্চমাংশ এলাকা নিয়ে অবস্থিত রাফা এখন যুদ্ধের মুখে।’
সতর্কবার্তায় কার্তজ বলেন, ‘গাজার আরও অধিকাংশ এলাকায় শিগগিরই বিস্তৃত হামলা শুরু হবে। এসব অঞ্চল থেকে বেসামরিক মানুষদের সরে যেতে হবে। হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল করা, জিম্মিদের মুক্ত করা এবং যুদ্ধের ইতি টানাই এখন মূল লক্ষ্য।’
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস। এতে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়—এ তথ্য ইসরায়েল সরকারের।
জবাবে সেদিনই গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চলমান এই অভিযানে এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে। এর মধ্যে কেবল ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের পরই নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৫৬৩ জন।
আজ চৈত্র সংক্রান্তি
বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতি ভবনের ফলক উন্মোচন প্রধান উপদেষ্টার
‘গ’ ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষা নিয়ে রিটের শুনানি আজ