আমবাত কী ও কেন হয়

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০৪ এএম

আমবাত সাধারণ চর্মরোগ বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যা। এই রোগের সঙ্গে আমরা কমবেশি পরিচিত।

লক্ষণ

আমবাতে ত্বক বা চামড়ার নিচে চাক চাক দাগ,তীব্র চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি ওঠে। হঠাৎ বা কিছু দিন পর পর হয়। ফুসকুড়িগুলো সাধারণত ৬ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মিশে যায় নিজেই বা Antihistamin ট্যাবলেট খাওয়ার পর।

কীভাবে হয়

যেকোনো কারণে আমাদের শরীরের Immune System  অস্বাভাবিকভাবে প্রতিক্রিয়া করলে বিভিন্ন নিউরো ট্রান্সমিটার যেমন হিস্টামিন ও সাইটোকাইন ইত্যাদি নিঃসৃত হয়। ফলে ত্বক ফুলে যায়, ফুসকুড়ি উঠে চুলকানি হয়।

কারণ

আমবাতের অনেক কারণ আছে। প্রধান কারণ  ইনফেকশন, খাদ্যে অ্যালার্জি ও ওষুধের পাশর্^প্রতিক্রিয়া। সাধারণ কারণ

 সংক্রমণ : ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত সংক্রমণে Urticaria হয়। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যেমন গলা, নাক, টনসিল, সাইনাস, পিত্তথলি, প্রস্টেট ও শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন। ভাইরাসজনিত রোগ জ্বর, কৃমির জন্যও আমবাত হয়।

 খাবারে অ্যালার্জি : কিছু খাবারে অ্যালার্জি হতে পারে যেমন চকোলেট, বাদাম, সেলফিস, মাশরুম, চিংড়ি, ডিম, দুধ, গরু, খাদ্যে  মেশানো রঙ, পুইশাক, বেগুন, সিম, বরবটি ইত্যাদি।

 ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : ওষুধে আমবাত হতে পারে যেমন বাত বা ব্যথার ওষুধ-Vaccine, অ্যান্টিবায়োটিকস যেমন পেনিসিলিনও সালফার গ্রুপ এবং Aspirin থেকে হতে পারে।

 শ্বাসের মাধ্যমে :  Aerosole, Perfumes, Bodz Spra, ফুলের রেণু grass pollen  ইত্যাদি।  

 সাধারণ কারণ : যেমন ঠান্ডা বা গরম, কাশি, ঘাম, সূর্যের আলো, আঘাত, ব্যায়াম, পোকামাকড়ের কামড় ও হুল ইত্যাদি।

 ক্রনিক ডিজিজ :  Hypothyroidism CKD, Choronic Lievr disease, Choronic Sinusitis  ইত্যাদি।

চিকিৎসা

চিকিৎসা নির্ভর করে রোগের প্রকারভেদ ও তীব্রতার ওপর। Acute Urticaria  (৬ সপ্তাহ পর্যন্ত) ও Choronic  Urticaria  (৬ সপ্তাহের বেশি ভোগলে) চিকিৎসা ভিন্ন রকম হয়। যেকোনো Antihistamine যেমন- Cetirizine, Fexofenadine, Rupatadine I Bilastine  ইত্যাদি খাওয়া। প্রয়োজনে স্টেরয়েড ক্রিম, ট্যাবলেট ও ইনঞ্জেকশন নিয়ে দ্রুত সুস্থ হওয়া। ক্ষতের ওপর ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করা যায়। দীর্ঘ আমবাতের জন্য সংশ্লিষ্ট রোগের চিকিৎসা নিতে হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত