সাহসী প্রভিশনিংয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি গড়ছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স  

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৫, ১১:১০ এএম

বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মাঝেও বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতমুখী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কৌশল গ্রহণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি কোনো রেগুলেটরি ছাড় ছাড়াই সব ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ, লিজ ও বিনিয়োগের বিপরীতে পূর্ণাঙ্গ প্রভিশনিং সম্পন্ন করেছে, যা আর্থিক স্বচ্ছতা ও অংশীজনদের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপ্রদত্ত ঋণ (এনপিএল) হার ১১.২০% থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৯.২৬%। প্রভিশন কভারেজ রেশিও দাঁড়িয়েছে ৭৮৬.৯৩%। একই বছর প্রতিষ্ঠানটি ৭,৮৪৬.৭৭ মিলিয়ন টাকা প্রভিশন বরাদ্দ এবং ১,২৩৩.০৬ মিলিয়ন টাকা ইন্টারেস্ট সাসপেন্সে স্থানান্তর করেছে। এর ফলে একীভূত কর-পরবর্তী নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৭,৯৩৭.৮৬ মিলিয়ন টাকা, যা আগের বছরে ছিল ১,০৪২.৪৭ মিলিয়ন টাকা।

২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় ২০২৪ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি গুণগত সম্পদ উন্নয়ন, পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণ ও আদায় কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে একটি কৌশলগত রোডম্যাপ নির্ধারণ করেছে। পরিকল্পনায় রয়েছে শক্তিশালী ক্রেডিট রিস্ক কন্ট্রোল, এসএমই, রিটেল ও শরিয়াহ্ ভিত্তিক অর্থায়নের সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে কার্যক্রমে দক্ষতা আনা।

আদায় কার্যক্রমে গতি আনতে প্রতিষ্ঠানটি আইনি পদক্ষেপ, গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা, আদালতের বাইরের নিষ্পত্তি এবং তৃতীয় পক্ষের সহায়তা নিচ্ছে। স্বল্পমেয়াদে সাহসী প্রভিশনিংয়ের ফলে মূলধন ও ইক্যুইটির ওপর চাপ তৈরি হলেও বাংলাদেশ ফাইন্যান্স তারল্য বজায় রেখে অর্থ পুনরুদ্ধার, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও দক্ষ সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী, টেকসই আর্থিক ভিত্তি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত